Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাজেট ২০২৬-২৭ / মাদক শুল্ক থেকে ১৪৩৪ কোটি টাকা আয় করতে চান অর্থমন্ত্রী

Published June 11, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

বাজেট ২০২৬-২৭ এবং মাদক শুল্ক আয় লক্ষ্য

Bangladailypost.com – ব জ ট ২০২৬ ২৭ ম দক - অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতির সামনে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তুত করেন। বাজেটে মাদক শুল্ক থেকে আগামী অর্থবছরে ১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা আয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটের মূল দর্শন

অর্থমন্ত্রী প্রকাশ করেন যে এই বাজেটটি অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে জনগণের আর্থিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত। সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান প্রধান প্রাধান্য দিয়ে পরিকল্পনা করেছে। স্থিতিশীল অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দ্বারা ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণতি নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেন যে তিনি বর্তমান পদে আগামী অর্থবছরে মাদক শুল্ক থেকে ৩৩৪ কোটি টাকা বেশি আয় করার পরিকল্পনা করছেন।

রাজস্ব আয়ের প্রস্তাবিত লক্ষ্য

বাজেটে সরকার এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব খাত থেকে মোট ২৫ হাজার কোটি টাকা আয় করার লক্ষ্য স্থির করেছে। এর মধ্যে স্ট্যাম্প বিক্রি (নন-জুডিশিয়াল) খাত থেকে সবচেয়ে বেশি ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা আয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাদক শুল্ক থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭২৯ কোটি টাকা। এর তুলনায় আগামী অর্থবছরে সেই পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হবে। এটি দুই বছরের মধ্যে সামগ্রিক আয়ের বৃদ্ধি বোঝায়।

বিস্তারিত রাজস্ব উৎস

আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এটি চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা বেশি। মাদক শুল্ক সহ অন্যান্য কর থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যানবাহন কর থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৪ হাজার কোটি টাকা, ভূমি রাজস্ব থেকে ৪ হাজার ৯১২ কোটি টাকা, সারচার্জ থেকে ২ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর পরিকল্পনায় করজাল সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি ও রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এই লক্ষ্য অর্জনের উপায় হতে পারে। কর বহির্ভূত আয়ের লক্ষ্যও ১ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ধরা হয়েছে।