দাম বাড়ার ক্ষেত্রে পচা শেয়ারের দাপট, পতনেও পচা শেয়ার
জেড গ্রুপের শেয়ারের দাপট: দাম বাড়াতে ও কমাতেই আধিপত্য
Bangladailypost.com – দ ম ব ড় র ক ষ - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে পচা বা জেড গ্রুপের শেয়ারগুলো দাম নির্ধারণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। দাম বৃদ্ধির শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছয়টিতেই জেড গ্রুপের অবস্থান। এমনকি শীর্ষ তিনটি স্থানও এই গ্রুপের দখলে। দাম বাড়ানোর পাশাপাশি দাম কমানোর ক্ষেত্রেও জেড গ্রুপের প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহজুড়ে দাম হ্রাসের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটিই জেড গ্রুপের। প্রথম আটটি স্থানই এই গ্রুপের শেয়ারগুলো দখল করেছে।
লভ্যাংশ ও গ্রুপ বিভাজন
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে লভ্যাংশের ওপর ভিত্তি করে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এ, বি ও জেড গ্রুপ নামে এই বিভাজন। দশ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হয়। দশ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন প্রতিষ্ঠানগুলো বি গ্রুপে থাকে। আর কোনো লভ্যাংশ না দেয় এমন কোম্পানিগুলো জেড গ্রুপে পরিচিত হয়। লভ্যাংশ বর্জন করার কারণেই জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পচা কোম্পানি হিসেবে চেনা যায়।
তুং হাই নিটিংয়ের সপ্তাহজুড়ে দাম বৃদ্ধি
গত সপ্তাহে দাম বৃদ্ধির তালিকায় সবার উপরে ছিল তুং হাই নিটিং। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এই কোম্পানির শেয়ার কিনতে আগ্রহী হওয়ায় সপ্তাহজুড়েই দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহে কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে ৫২.৭৮ শতাংশ। প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে কোম্পানির শেয়ার দাঁড়িয়েছে পাঁচ টাকা ৫০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষে ছিল তিন টাকা ৬০ পয়সা। এতে এক সপ্তাহে মোট দাম বেড়েছে ২০ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটির সর্বশেষ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরে। বিনিয়োগকারীদের দেওয়া হয়েছে ১০ শতাংশ নগদ শেয়ার লভ্যাংশ। এরপর থেকে কোম্পানিটি আর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে কোম্পানিটির স্থান পচা জেড গ্রুপে। এমনকি নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করে না কোম্পানিটি। ২০২৩ সালের মার্চের পর থেকে কোম্পানিটি কোনো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।
২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৩০টি। এর মধ্যে ৩০.০৪ শতাংশ শেয়ার আছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬২.৩৮ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭.৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
অন্যান্য শীর্ষ দাম বৃদ্ধির শেয়ার
তুং হাই নিটিংয়ের পরেই দাম বৃদ্ধির তালিকায় ছিল জিবিবি পাওয়ার। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে ২৬.৬৭ শতাংশ। ২০২৩ সালের পর থেকে এই কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। পরের স্থানে রয়েছে নূরানী ডাইং, যার দাম বেড়েছে ২৫.৮১ শতাংশ। ২০২০ সালের পর থেকে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ দেয়নি।
দাম কমানোর শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো
গত সপ্তাহে দাম কমানোর শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল সেনা ইন্স্যুরেন্সের ২২.১২ শতাংশ, এনআরবিসি ব্যাংকের ২১.৮৪ শতাংশ, বাংলাদেশ ল্যাম্পের ২০.৪২ শতাংশ, মেট্রো স্পিনিংয়ের ১৫.৯৬ শতাংশ, সিএনএ টেক্সটাইলের ১৫.৬৩ শতাংশ, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের ১৫.৩২ শতাংশ এবং বেক্সিমকোর ১৫.৩২ শতাংশ।
দাম কমানোর শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে জেড গ্রুপের পিপলস লিজিং। কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে ২০.৮৩ শতাংশ। পরের সাতটি স্থানেও রয়েছে জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান। প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ১৭.২৪ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ১৬ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ১৬ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ১৫.৭৯ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ১৪.২৯ শতাংশ, এফএএস ফাইন্যান্সের ১৩.৭৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্সের ১৩.৭৩ শতাংশ দাম কমেছে।
দাম কমানোর শীর্ষ তালিকার বাকি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ডের ৯.৬৫ শতাংশ এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৮.৬৭ শতাংশ দাম কমেছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is দ ম ব ড় র ক ষ?দ ম ব ড় র ক ষ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does দ ম ব ড় র ক ষ matter?দ ম ব ড় র ক ষ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.