AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

থমকে আছে উদ্যোগ, প্রাণ ফেরেনি অর্থনীতিতে

Published August 17, 2026 · Updated August 17, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ছয় মাসে অর্থনীতির গতিশীলতা: প্রশ্ন ও প্রত্যাশার সম্মুখোপরি

Bangladailypost.com – থমক আছ উদ য গ প র - ১৭ আগস্টে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনকাল পূর্ণ হলো ঠিক ছয় মাস। এই সময়ে দেশের অর্থনীতি প্রায় থমকে আছে — উদ্যোগে প্রাণ ফেরেনি, বিনিয়োগ স্থবির, আর সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সুফলের ছোঁয়া অনুভূত হয়নি।

ক্ষমতার প্রত্যাবর্তন ও নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান আওামী লীগের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটায়। এরপর বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গড়ে ওঠে এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে লন্ডন থেকে ফিরে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন তারেক রহমান। নিরঙ্কুশ জয়ের পর ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। টানা ১৯ বছরেরও বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থাকার পর এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি দলের ফিরে আসা নয় — বাংলাদেশের রাজনীতিতে খোলা হয়েছে এক সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়।

ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পতনের পর নবনির্বাচিত শাসনকে ঘিরে জনগণের মধ্যে জন্ম নেয় ব্যাপক আশা-আকাঙ্ক্ষা। সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে ছিল চারটি মূল দাবি: কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলায় উন্নতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং বিনিয়োগে বিদ্যমান বাধা দূর করা।

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও প্রাথমিক নির্দেশনা

নির্বাচনি ইশতেহারকে ভিত্তি করে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা টার্গেট নির্ধারণ, দুর্নীতি রোধে কঠোর সতর্কতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করাই ছিল সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রীয় লক্ষ্য।

শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য, আইন-শৃঙ্খলা ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দিকনির্দেশনা জারি করেন। ছয় মাসের কাজের অগ্রগতি বিবেচনা নিয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মূল্যায়ন করবেন বলেও জানান তিনি।

উত্তরাধিকার ও বৈশ্বিক চাপ

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকারকে একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা, বৈদেশিক ঋণের চাপ, ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্থবির বিনিয়োগ, উচ্চ দারিদ্র্য, ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা, ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্বের চাপ — সব মিলিয়ে পথটি মোটেও মসৃণ ছিল না। এর অধিকাংশই বর্তমান সরকার পেয়েছে উত্তরাধিকার সূত্রে।

পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অস্থিরতাও সরকারকে বেশ ভুগিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করেছে, অর্থনীতির ওপর তৈরি করেছে বাঁধা চাপ।

এই ছয় মাসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ কেন্দ্র করে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা থেকে। জ্বালানির দাম বেড়ে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হওয়ায় পরিবহন থেকে শুরু করে শিল্প, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারসহ অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি স্তরেই পড়েছে এর অভিঘাত। ফলে সরকারকে শুধু ঘরোয়া সংকট নয়, বৈশ্বিক অস্থিরতার ঢেউও সামলাতে হয়েছে।

ইতিবাচক উদ্যোগ ও নীতিগত পদক্ষেপ

তবে এই ছয় মাসে কিছু ইতিবাচক দিকও ছিল। সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার বেশকিছু নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিল্প খাতকে বহুধরনের সংকট থেকে রক্ষা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরাতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রার চাপ কমাতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারকে নির্ধারিত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কৃষকদের আর্থিক চাপ কমাতে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষিঋণ মওকুফ ও ঋণ পুনর্গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজকরণ, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পের কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে বাধা কমানো এবং নীতিগত সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

বাণিজ্য চুক্তি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ

চলতি মাসের ৪ তারিখে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) স্বাক্ষর করেছে বর্তমান সরকার। এই চুক্তিতে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে। এতে রপ্তানি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও শিল্প সহযোগিতার নতুন সুযোগ খুলবে।

বর্তমান সরকারের বাণিজ্যনীতি ও রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে ডিসেম্বরের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করার লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যেই ইইউর সঙ্গে চুক্তি করতে

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is থমক আছ উদ য গ প র?

থমক আছ উদ য গ প র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does থমক আছ উদ য গ প র matter?

থমক আছ উদ য গ প র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.