AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চট্টগ্রাম বন্দরে লক করা ২৫০ কনটেইনারের হদিস মিলছে না

Published July 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

চট্টগ্রাম বন্দরে সন্দেহে লক করা ২৫০ কনটেইনারের অবস্থান খুঁজে পাচ্ছে না কাস্টমস

Bangladailypost.com – চট টগ র ম বন দর লক - চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এসব কনটেইনারের অবস্থান শনাক্ত করতে পারছে না। এই সন্দেহে কাস্টমসের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারে লক করা হয়েছে অন্তত ২৫০টি আমদানি কনটেইনার। গত নৌকাবাজার কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে কাস্টমস।

অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (এআইআর) শাখার নথি অনুযায়ী, এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে ই-নিলামে কেনা প্রায় ২৭ টন ফ্যাব্রিক সহ সামগ্রিক ২৫০টি কনটেইনার রয়েছে। তবে কাস্টমসের নিয়ম অনুযায়ী, এগুলো তদন্ত কর্মকর্তাদের কায়িক পরীক্ষা ছাড়া খালাস হওয়ার কথা নয়।

তিনি বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষকে কয়েক দফা চিঠি পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ তাগিদ চলতি বছরের এপ্রিলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

গত এক বছরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে তিনটি পণ্যবোঝাই কনটেইনার নিখোঁজ হয়েছে। এর মধ্যে একটি ঘটনায় ক্রেতা সেটির কোনো সন্ধান পাননি। বন্দর কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যৌথ তদন্তে কনটেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি।

তদন্তে উঠে আসছে, কনটেইনারগুলো বাস্তবে ইয়ার্ডে না থাকলেও ডিজিটাল কার্গো ব্যবস্থাপনায় সেগুলোকে সংরক্ষিত দেখানো হচ্ছিল। এ ঘটনায় ডিজিটাল নজরদারি ও কার্গো ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা প্রশ্ন উঠেছে। তবে বন্দর ও কাস্টমস-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, একটি পূর্ণ কনটেইনার খালাসের জন্য বিভিন্ন স্তরের অনুমোদন ও যাচাই প্রয়োজন।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর চেয়ারম্যান বলেছিলেন, সংঘবদ্ধ চক্র জাল কাগজপত্র ও ডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে পণ্য খালাসের অপচেষ্টা করছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বন্দর ভারপ্রাপ্ত সচিব ও চেয়ারম্যানের কাছে প্রশ্ন পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।