চট্টগ্রাম কাস্টমসে ৯১ টন নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস
Bangladailypost.com – চট টগ র ম ক স টমস – চট্টগ্রাম কাস্টমস টমস – দীর্ঘদিন ধরে বন্দর ইয়ার্ডে জমে থাকা নিলাম অযোগ্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে শ্যাম্পু ও এনার্জি ড্রিংক। মোট ৯১ টন এই পণ্য ধ্বংসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ। আগামী বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ৬ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হবে।
গত বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ মাছ, মাংস, আদা, রসুন ও পেঁয়াজ ধ্বংস করেছিল। তখন এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খুঁড়ে চাপা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে পণ্যগুলো ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।
নোটিশ ও ধ্বংসের বিবরণ
গত রোববার চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২৩ জুলাই ধ্বংস কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থিত দুই লটে পাঁচ কনটেইনারে থাকা পণ্যগুলো ধ্বংস করা হবে।
এই পণ্যগুলো হলো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, নিম্নমানের খাবার ও ব্যবহার অনুপযোগী, আমদানি নিষিদ্ধ এবং নষ্ট পণ্য। চট্টগ্রাম কাস্টম অকশন শেডে সকাল ৯টা থেকে ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হবে। এই ধ্বংস কার্যক্রমে সহায়তা করছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন।
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ ও সমাধানের আহ্বান
বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, নিলাম অযোগ্য পণ্য বন্দরের জন্য একটি বিশাল সমস্যা। অনেক সময় আইনি জটিলতার কারণে চট্টগ্রাম কাস্টমস এই পণ্য ধ্বংস করতে পারে না। ফলে বন্দর ইয়ার্ডে এসব কনটেইনারের জন্য জট লেগে যায়। নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমসে স্থায়ীভাবে একটা স্থান নির্ধারণ করা উচিত। স্থান না থাকার কারণে ধ্বংস কার্যক্রম সমস্যাযুক্ত হচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টম।
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট নিরসনে এনবিআরের নির্দেশে নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করছে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ। সেই ধারাবাহিকতায় নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) শরীফ মোহাম্মদ আল-আমিন এই কথাগুলো বলেছেন।
নিলাম ও ধ্বংসের প্রক্রিয়া
নিলাম শাখা সূত্রে জানা যায়, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সব মিলিয়ে ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করতে পারেনি বন্দর ও চট্টগ্রাম কাস্টমস। এতে বন্দরের ইয়ার্ডে এসব কনটেইনার পড়ে থাকে।
আমদানিকারক যথাসময়ে পণ্যভর্তি কনটেইনার খালাস না করলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের ব্যাঘাত ঘটে। এক্ষেত্রে পচনশীল পণ্যভর্তি কনটেইনার একটি বড় সমস্যা। খালাস না হওয়া এসব কনটেইনার শিপিং কোম্পানির জন্যও বিপদের। কারণ এসব কনটেইনারে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে হয়। আমদানিকারক খালাস না নেওয়ার পরও বৈদ্যুতিক সংযোগ চাইলেও বিচ্ছিন্ন করা যায় না।
চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মতে আগামী ৬ আগস্ট ৫ কনটেইনার নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করা হবে।
জানতে চাইলে কেএম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জাগো নিউজকে এই কথাগুলো বলেছেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
চট্টগ্রাম কাস্টমসে কোন পণ্যগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে? চট্টগ্রাম কাস্টমস ৯১ টন শ্যাম্পু ও এনার্জি ড্রিংক ধ্বংস করছে। এগুলো নিলাম অযোগ্য পণ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ধ্বংস কার্যক্রম কখন শুরু হবে? আগামী ৬ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমসের অকশন শেডে ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হবে।
কোন পদ্ধতিতে পণ্য ধ্বংস করা হবে? এবার বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে পণ্যগুলো ধ্বংস করা হবে। এর আগে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খুঁড়ে চাপা দেওয়া হতো।
কতগুলো কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে? চট্টগ্রাম বন্দরের দুই লটে পাঁচ কনটেইনারে থাকা পণ্য ধ্বংস করা হবে।
ধ্বংস কার্যক্রমে কে সহায়তা করছে? চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন এই ধ্বংস কার্যক্রমে সহায়তা করছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is চট টগ র ম ক স টমস?
চট টগ র ম ক স টমস is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does চট টগ র ম ক স টমস matter?
চট টগ র ম ক স টমস matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.