সিলেটের পুলিশ কমিশনার / সেই দম্পতিসহ গৃহপরিচারিকা প্রেমিকাকে হত্যা করেন বাবুল মিয়া
স ল ট র প ল শ - সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় এক ভয়ংকর হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই এলাকার ১১১ নম্বর বাসায়
Table of Contents
সিলেটে দম্পতি ও গৃহপরিচারিকা হত্যায় বাবুল মিয়া আটক
Bangladailypost.com – স ল ট র প ল শ – সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় এক ভয়ংকর হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই এলাকার ১১১ নম্বর বাসায় বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। হত্যা করা হয় আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহপরিচারিকা তাহমিনা আক্তারকে।
আটকের বিবরণ
মঙ্গলবার বিকেল তিনটার দিকে বাবুল মিয়াকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, বাবুল মিয়া ওই বাসায় রঙ মিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে মাঝে মাঝে আসা-যাওয়া করতেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসার গৃহপরিচারিকা তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
হত্যাকাণ্ডের বিবরণ
ঘটনার দিন সকাল নটার দিকে বাবুল মিয়া বাসায় প্রবেশ করে। কাজের মেয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে সে কাজের মেয়েকে নিয়ে একটি রুমে প্রবেশ করে। ওই রুমে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাবুল মিয়া ছুরি দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করে।
তাহমিনাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে গৃহকর্তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর আব্দুস সাত্তারকে একই ছুরি দিয়ে হত্যা করে বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহতদের পরিচয়
নিহত আব্দুস সাত্তার বয়স ৮২ বছর। তিনি মিতালী আবাসিক এলাকার প্রথম বাসিন্দা এবং পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার এক ছেলে এবং তিন মেয়ে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। সুরাইয়া বেগমের বয়স ৭২ বছর। গৃহপরিচারিকা তাহমিনা আক্তার বয়স ১৫ বছর। সে নগরীর জল্লারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আপ্তাব মিয়ার মেয়ে।
পুলিশের তদন্ত ও মরদেহ উদ্ধার
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বাসার ভেতর থেকে নারীদের চিৎকার শোনে প্রতিবেশীরা। পরে আর কোনো শব্দ পাওয়া যায়নি। সকাল দশটার দিকে ১১১ নম্বর বাসার দুই তলার বারান্দায় রক্ত দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সুরতহাল প্রতিবেদন ও সকল আলামত সংগ্রহ করার পর বিকেল চারটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
দায়িত্বশীলদের পরিদর্শন
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এছাড়া সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কেস লেডি এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারাও পরিদর্শনে আসেন।
প্রশ্নোত্তর
হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ কী? বাবুল মিয়া ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্ক নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বাবুল মিয়া কীভাবে বাসায় প্রবেশ করেছিল? সে রঙ মিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে মাঝে মাঝে ওই বাসায় আসা-যাওয়া করত। হত্যাকাণ্ডের দিনও একইভাবে বাসায় প্রবেশ করে।
মরদেহ কোথায় পাঠানো হয়েছে? সুরতহাল প্রতিবেদন ও সকল আলামত সংগ্রহ করার পর বিকেল চারটার দিকে মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is স ল ট র প ল শ?
স ল ট র প ল শ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does স ল ট র প ল শ matter?
স ল ট র প ল শ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.