Country

শুক্রবার রক্তাক্ত সড়ক, সিলেট-বগুড়ায় নিহত ১৬

শ ক রব র রক ত ক - একই দিনে দেশের দুটি জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক যাত্রী। এর মধ্যে সিলেটে মারা গেছেন ৯ জন এবং বগুড়ায়

Desk Country
Published August 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786117360_6a75fcf090f24
Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট ও বগুড়ায় ১৬ জনের মৃত্যু
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট ও বগুড়ায় ১৬ জনের মৃত্যু

Bangladailypost.com – শ ক রব র রক ত ক – একই দিনে দেশের দুটি জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক যাত্রী। এর মধ্যে সিলেটে মারা গেছেন ৯ জন এবং বগুড়ায় ৭ জন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) পৃথক সময়ে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

সিলেটে বাস সংঘর্ষে ৯ নিহত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ফলে ইউনিক বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইউনিক বাসের সাত যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহত ও নিহতদের উদ্ধার করেন। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, মরদেহ পরিবারে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানান ওসি।

এই দুর্ঘটনায় দুটি বাসের অন্তত ২৪ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪ জন বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতদের তালিকা

সিলেটের নিহতরা হলেন: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত সাফিউদ্দিনের ছেলে হাজি সাইফুল ইসলাম (৫০), সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা থানার চণ্ডীপুল এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের তিন বছর বয়সী শিশু জাইফা, নগরীর সোবহানীঘাট এলাকার উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২২), কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চণ্ডিবের গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী (১৭), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার বগডহর গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (৪৪), সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার উমনপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আরমান (১৯), কুমিল্লার বাঙ্গুরা বাজার থানার পীরকাশিমপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে সানিয়াদ জাহাঙ্গীর সৌরভ (৩৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার শেরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম ইমন এবং কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার ষাইধার (আটরামপুর) গ্রামের রঞ্জিত সূত্রধরের ছেলে রুবেল সূত্রধর (৩৭)।

বগুড়ায় দিনমজুরদের ওপর বাস চাপা দেয়

বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে কাজের সন্ধানে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর বাসটি উঠে গেলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন: বগুড়া সদর উপজেলার ফাপোঁড় মধ্যপাড়ার বেল্লাল হোসেন (৪০), কাহালু উপজেলার নারহট্ট সরদার পাড়ার নুর মোহাম্মদ সরদার (৭৫), জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার মো. আনারুল ইসলাম (৫৫), পাঁচবিবি থানার আমিরুল (৪০), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আবু সাইদ (৪৫), একই উপজেলার নুর আলম (৪৫) এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মো. তাজিমুল (৪৭)।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার এবং আহতদের প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রংপুর, গাইবান্ধা, পাবনা সহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দিনমজুররা প্রতিদিন ভোরে এরুলিয়া বাজারের এ হাটে কাজের সন্ধানে জড়ো হন। শুক্রবার ভোরে ঢাকা থেকে নওগাঁ অভিমুখী ‘শাহ ফতেহ আলী পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এসময় বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের চাপা দিয়ে উল্টো ঘুরে বগুড়ামুখী হয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছয়জন এবং পরে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাজিমুল নামের আরেক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা মহাসড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ ঘটনাস্থলে গতিরোধক (স্পিডব্রেকার) নির্মাণের কাজ শুরু করলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, একটি মোটরসাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। পরে শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন এবং হাসপাতালে চারজন মারা যান। ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পর দরিদ্র পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের অবস্থা

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. উমর রাশেদ মুনীর জানান, দুর্ঘটনার পরপরই হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ১৬ জনকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে পরবর্তী সময়ে ইএনটি, চক্ষু ও নিউরোসার্জারি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি তিনজনের মধ্যে একজনের সিটিস্ক্যান রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। একজনের সিটিস্ক্যান এখনো সম্পন্ন হয়নি। আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

হাসপাতালের পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে আনা ১৬ জনের মধ্যে একটি শিশুকে প্রথমে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বাকি ১৪ জনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের অবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে জানান তিনি।

Frequently Asked Questions

What is শ ক রব র রক ত ক?

শ ক রব র রক ত ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does শ ক রব র রক ত ক matter?

শ ক রব র রক ত ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment