Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিশুর মরদেহ উদ্ধার / অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা, ডিসি-এসপির গাড়ি ভাঙচুর

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

শিশু মরদেহ উদ্ধারে পুলিশের হামলা, ডিসি-এসপির গাড়ি ভাঙচুর

Bangladailypost.com – শ শ র মরদ হ উদ ধ - শিশু মরদেহ উদ্ধার পর স্থানীয় জনতার হামলা ও পুলিশ গাড়িবহরে সংঘর্ষ ঘটে। আদিতমারীতে শিশু শিক্ষার্থী একটি বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করার পর জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আটকে রেখেছিলেন অভিযুক্ত শিশুর চাচা পারিবারিক সম্পর্কের বিধানকে।

সংঘর্ষের কারণ ও পরিস্থিতি

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনা ঘটে। আগের দিন সকালে ভুট্টাক্ষেতে মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি সোমবার (১৫ জুন) বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল। প্রতিদিন খোঁজাখুঁজির পর মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ পাওয়া গেল।

তদন্তে পুলিশ শিশু মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে। আটকে রেখেছিলেন অভিযুক্ত শিশুর চাচা পারিবারিক সম্পর্কের বিধানকে নিয়ে থানায় আসার সময় স্থানীয় জনতা পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। প্রতিদিন খোঁজাখুঁজির সময় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তুষ্টি বৃদ্ধি পেয়েছে শিশু মরদেহ উদ্ধারের পর।

গাড়ি ভাঙচুর ও আহতদের অবস্থা

পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত শিশু মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় স্থানীয়দের বাধা দেয়া হয়। বিজিবি ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়ে আমরা সেখানে যাই। উপস্থিত সবাইকে বুঝিয়ে আসামি শিশু মরদেহ উদ্ধার করার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

এই ঘটনায় কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, আসামিকে শিশু মরদেহ উদ্ধার করার সময় পুলিশ গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে। প্রতিদিন খোঁজাখুঁজির সময় গাড়ি ভাঙচুর ঘটে।

রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে এ ঘটনায় একটি মামলা করা হবে। সাথে সাথে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শিশু মরদেহ উদ্ধার পর স্বাভাবিক হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

মহসীন ইসলাম শাওন/এনএইচআর/জেআইএম