Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে তোপের মুখে পুলিশ

Published June 11, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Jones - bangladailypost.com

Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

পুলিশের মুখে তোপ চালানো হয়েছিল ধর্ষণের অভিযুক্তকে ধরতে

Bangladailypost.com – শ শ ক ধর ষণচ ষ ট - শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে তোপের মুখে পুলিশ তোপ চালানো হয়েছিল শ শ ক ধর ষণচ ষ টি। ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার সাবেক কাউন্সিল সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বাড়িতে বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যার পর ঘটেছে। সেখানে পুলিশের টিম অভিযুক্ত হিমেলকে (২১) কে ধরতে গিয়ে তার পরিবার ও মানুষজন সংঘটনে জড়িত হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত পরিদর্শক মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে জানান যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের কাছে সন্দেহ জানানো হয়েছিল হিমেলকে এর সাথে কোনো সম্পর্ক ছিল। ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ অপরাধীকে আটক করতে চেষ্টা করা হয়েছিল।

অপরাধী ও পরিবারের জড়ো হওয়া

বাড়িতে গিয়ে অপরাধী হিমেলকে ও তার পরিবার মানুষজন পুলিশ টিমকে পুনরায় আটক করতে বাধা দিয়েছিল। অপরাধী শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করার সম্ভাবনা ছিল বলে পুলিশ সাবেক কাউন্সিল সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বাড়িতে তাকে ধরতে গিয়েছিল। ঘটনার আগে শিশুটি তার বাবার সাথে বাইরে বের হয়েছিল কিন্তু সে বাড়ির দিকে উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে আসে এরপর বাবা-মা তার কাছ থেকে বিস্তারিত খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তখন পুলিশ একটি টিম দ্বারা অভিযুক্ত হিমেলকে কে ধরতে চেষ্টা করা হয়।

পুলিশ সদস্যরা হিমেলকে কে ধরার চেষ্টা করার সময় তার পরিবার এবং মানুষজন পুনরায় হামলা চালায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার তদন্ত পরিদর্শক মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, হিমেলকে ও তার পরিবার তাদের কাছে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু আটক করতে চেষ্টা করার সময় তাদের কাছে বেশি পুলিশ সদস্য ছিল বলে তারা হামলার ক্ষমতা হারিয়েছিল। কোনো পুলিশ সদস্য আহত হয়নি কিন্তু সিদ্ধিরগঞ্জ থানার তদন্ত প্রক্রিয়া চালু হয়েছে শ শ ক ধর ষণচ ষ টি হিমেলকে কে বিরুদ্ধে।

অপরাধের পরিবেশ ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

শিশুটি ও অভিযুক্ত হিমেলকে দুই ব্যক্তি বৃহত্তর এলাকার একটি স্থানীয় নাগরিক। ঘটনার পর পরিবার এবং মানুষজন সম্পর্কে চিন্তা করেছিল কিন্তু পুলিশ তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছিল। সেখানে পুলিশ একটি তীব্র হামলা চালায় বলে দাবি করা হয়। যে পুলিশ টিম সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নেতৃত্বে ছিল তারা স্থানীয় এলাকার মানুষ ও পরিবার সংঘটনে জড়িত হওয়ার পর প্রতিরোধ করেছিল। অপরাধী হিমেলকে কে কী করে শিশুটি ধর্ষণ চেষ্টা করেছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চালু হয়েছে।

পুলিশ সদস্যরা ঘটনার পর অপরাধীকে ধরার প্রয়াস চালিয়েছিল কিন্তু প্রতিরোধের কারণে তাদের কাজ প্রায় অক্ষম হয়েছিল। অভিযুক্ত হিমেলকে কে পুলিশ এর মুখে পড়তে হয়েছিল এবং সেই