AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিপইয়ার্ডে গ্যাস দুর্ঘটনা: সন্তানের মুখ দেখা হলো না পলাশের

Published August 15, 2026 · Updated August 15, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত পলাশ দাশ

Bangladailypost.com – শ পইয র ড গ য স - চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিতে বিষাক্ত গ্যাস লিক হওয়ার ঘটনায় পলাশ দাশ নামের এক তরুণ মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল দশটায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মোট নয়জন মানুষের মৃত্যু হয়। পলাশের বাড়ি দুর্ঘটনার স্থান থেকে মাত্র দুইশো গজ দূরে।

নতুন সংসারের স্বপ্ন ভেঙে গেল

পলাশ দাশ ও তার স্ত্রী ভূমিকা রানী দাস আট মাস আগে বিয়ে করেছিলেন। ছোট্ট পরিবারে মা, বাবা, বোন, ছোট ভাই এবং স্ত্রী নিয়ে তারা সুখে ছিল। স্ত্রী ভূমিকা রানী তখন সাত মাসের গর্ভবতী। পরিবারের সবাই খুব খুশি ছিল। কিন্তু সেই আনন্দ শুক্রবার সকালেই থমকে যায়।

দুর্ঘটনার পর পলাশের বড় বোন রত্নদানী দাস বাড়ির আঙিনায় লুটিয়ে পড়ে কাঁদছিলেন। ঘরের ভেতরে মা ও প্রতিবেশীরা কান্না করছিলেন। পলাশের স্ত্রী ভূমিকা রানী দাস পাশে বসে অঝরে কাঁদছিলেন। তার কপালে সিঁদুর মুছে ফেলা হয়েছিল।

সংসারের দায়িত্ব কে নেবে?

রত্নারানী দাশ মাটিতে লুটিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমার ভাইয়ের সুখের সংসার কী হলো? কে দেখবে আমার ভাইয়ের সংসার? বিয়ে করেছে মাত্র আট মাস। তার মধ্যে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। মা হার্টের রোগী। প্রতি সপ্তাহে অনেক টাকার ওষুধ কিনতে হয়। কীভাবে সংসার চলবে?

প্রতিবেশীরা জানান, পলাশের সঙ্গে একই ঘটনায় সানি দাস নামের আরও এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা সনাতন সম্প্রদায়ের লোক হলেও সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গাফিলতির কারণে প্রাণ গেল

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সানি দাসের এক আত্মীয় জানান, ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সানি গেটের সামনেই চলে আসে। কিন্তু তাদেরকে বের হতে দেয়নি। ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানায় আহতরা সবাই হালকা শরীরে ব্যথা পেয়েছে। পরে জানা যায় বিষাক্ত গ্যাসে বিষক্রিয়া হয়ে সবাই আহত হয়েছে। তাৎক্ষণিক তাদেরকে যদি অক্সিজেন দেওয়া যেত তাহলে সবাই বেঁচে যেত। ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এতগুলো তরুণ প্রাণ দিতে হলো।

ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সানি গেটের সামনেই চলে আসে। কিন্তু তাদেরকে বের হতে দেয়নি। ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানায় আহতরা সবাই হালকা শরীরে ব্যথা পেয়েছে। পরে জানা যায় বিষাক্ত গ্যাসে বিষক্রিয়া হয়ে সবাই আহত হয়েছে। তাৎক্ষণিক তাদেরকে যদি অক্সিজেন দেওয়া যেত তাহলে সবাই বেঁচে যেত। ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এতগুলো তরুণ প্রাণ দিতে হলো।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is শ পইয র ড গ য স?

শ পইয র ড গ য স is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does শ পইয র ড গ য স matter?

শ পইয র ড গ য স matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.