Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

লবণ মাখানো চামড়ায় ভরে উঠছে নাটোরের আড়ত

Published June 8, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Jones - bangladailypost.com

Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

নাটোরের আড়তগুলোতে চামড়া ভরে উঠছে লবণে মাখানো প্রক্রিয়া

Bangladailypost.com – লবণ ম খ ন চ মড় য় - নাটোরে লবণ মাখানো চামড়া ব্যবসায়ের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন স্থানীয় আড়তগুলোতে এই চামড়া ভরে উঠছে। দেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের প্রায় ২০টি জেলা থেকে চামড়া আসছে এবং নাটোরের চকবৈদ্যনাথ আড়তগুলো এখন পুরোদমে চালু হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়া বাজার নাটোরে অবস্থিত হওয়ায় এই আড়তগুলো থেকে ঢাকায় প্রায় ৩০ শতাংশ চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে।

লবণ মাখানো চামড়ার ব্যবসায়িক গুরুত্ব

লবণ মাখানো চামড়া প্রক্রিয়া দ্বারা চামড়া সংরক্ষণ ও দীর্ঘ ক্ষেত্রে উপযোগী করা হয়। দামের সম্পর্কে ফরিয়া ব্যবসায়ী ও চামড়া বিক্রেতারা দাবি করেছেন যে ঈদের পর প্রথম দুই দিন কাঁচা চামড়া সরকারি দরে বিক্রি হয়নি। ফলে কোরবানি দাতা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে লবণ মাখানো চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গরুর চামড়া প্রতি বর্গ ফুটে ৮০০ টাকার সর্বোচ্চ দর ও খাসির চামড়া প্রতি পিসে ৩০ থেকে ৪০ টাকার দরে বিক্রি হয়েছে।

বর্তমানে ঢাকার বাইরে চামড়ার দাম নির্ধারিত হয়েছে। গরুর চামড়া প্রতি বর্গ ফুটে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসির চামড়া প্রতি বর্গ ফুটে ২২ থেকে ২৭ টাকা এবং বকরির চামড়া প্রতি বর্গ ফুটে ২০ থেকে ২২ টাকার দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দর কমে আসার কারণে বিশেষ করে লবণ মাখানো চামড়া ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

“লবণ মাখানো চামড়া সংরক্ষণে আমাদের খরচ করতে হয়। ট্যানারি মালিকরা ভালো মানের চামড়া সরকারি দরে কিনছেন। তবে ভালোভাবে লবণ দিয়ে সংরক্ষিত চামড়া আমাদের প্রকৃত দামে বিক্রি করা হচ্ছে,” বলেন নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হালিম সিদ্দিকী। তিনি বলেন যে প্রক্রিয়া কমিয়ে আসা সত্ত্বেও লবণ মাখানো চামড়া ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়নি কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন জানান যে স্থানীয় প্রশাসন লবণ মাখানো চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যবসায়ীদ