Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রংপুর মেডিকেল / রোগী মৃত্যু ঘিরে স্বজন-চিকিৎসক হাতাহাতি, ৩ ঘণ্টা বন্ধ জরুরি বিভাগ

Published June 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

র প র ম ড ক ল ঘটনা: স্বজন-চিকিৎসক হাতাহাতি ও জরুরি বিভাগে অবরোধ

Bangladailypost.com – র প র ম ড ক ল - রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগী মৃত্যুর পর স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে বিতর্ক আরম্ভ হয়। এই ঘটনার পর জরুরি বিভাগ প্রায় তিন ঘন্টা বন্ধ ছিল। র প র ম ড ক ল ঘটনার কারণে মৃত রোগীর মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে, যেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল না বলে দাবি করেছে।

রোগী মৃত্যুর পর হাতাহাতি ঘটেছে

বৃহৎ ঘটনাটি শনিবার (১৩ জুন) ভোরে ঘটেছে। নুর নাহার বেগম (৬২) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার ছেলে রিফাত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছিলেন। র প র ম ড ক ল ঘটনার সময় অক্সিজেনের দাবি ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে মতামতের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। কিন্তু রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।

নুরুজ্জামান রিন্টু বলেন, আমার স্ত্রী ফোনে মায়ের অসুস্থতার খবর দেন। হাসপাতালে পৌঁছে দেখি কোনো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে অক্সিজেন দেওয়া হয়নি। সামান্য একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে এবং অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর তা নামিয়ে আনা হয়নি। এতে আমার মায়ের প্রাণ বিপন্ন হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক অনুমান করেছেন সংঘর্ষ গুরুতর ছিল না

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আশিকুর রহমান জানান, র প র ম ড ক ল ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল না। কিন্তু রোগী পরিবার চিকিৎসকদের মারধরের চেষ্টা করেছে এবং তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য ছিল না।

এ সম্পর্কে সংঘর্ষের পর মরদেহ মর্গে রাখার অভিযোগ সঠিক ছিল না। পরিচালক বলেন, উত্তেজনার কারণে কিছু সময় মরদেহ আটকে রাখা হয়েছিল, যেটি নিরাপত্তার জন্য ছিল। পরে তা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ঘটনার সমাধানে প্রবেশ করেছে

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানান, ঘটনা পর্বে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তিনি বলেন, র প র ম ড ক ল ঘটনার পর মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ সঠিক ছিল না। বর্তমানে মেডিকেল মোড় এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

র প র ম ড ক ল ঘটনার পর স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে বিতর্ক সমাপ্ত হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা হাসপাতাল সংক্রান্ত ঘটনার সমাধান করেছেন। রোগী পরিবার এবং চিকিৎসকদের মধ্যে যে অবহেলা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিস্কার করা হবে।

র প র ম ড ক ল ঘটনার পর জরুরি বিভাগে অ