Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যে কারণে পদ্মা সেতুর পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছে না ২১ জেলার মানুষ

Published June 7, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

পদ্মা সেতুর পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছে না দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ

Bangladailypost.com – য ক রণ পদ ম স ত - পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর রাজধানী ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় পরিবর্তন ঘটেছে। সড়ক দ্বারা যাতায়াতের সময় কমেছে এবং গাড়ি চলাচলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি বাধার সামনে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দাঁড়ানো সময় সামলাতে পারেনি। ছয় লেনে সড়কটি পুনরুন্নতির পরিকল্পনা কয়েক বছর আগে আবিষ্কৃত হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়নে কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।

সড়কের প্রস্থ বৃদ্ধি প্রকল্প অনুসারে মাদারীপুরের অংশে প্রতিদিন প্রায় ২৪ ফুটের পরিবর্তে ৩২ ফুটে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ মাদারীপুর অংশের সড়কের প্রস্থ এখনও মাত্র ২৪ ফুট। পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এই অংশে দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু ধীরগতির যানবাহন সড়কে কার্যত বাড়িয়ে দিয়েছে ঝুঁকি।

“মাদারীপুর অংশে রাস্তা অনেক সরু। আবার অনেক জায়গায় সড়কের পাশে মাটিও নেই। ফলে গাড়ি সাইড দিতে গেলেই সমস্যা হয়। এ কারণেই দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে।”

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসারে মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে প্রতিদিনই ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত ভ্যান, মাহিন্দ্র ও নসিমনের মতো যানবাহন গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাক এসব ধীরগতির যানবাহনের সাথে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে আছে।

গত ১৮ জানুয়ারি ঘটকচর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ইজিবাইকের সাত আরোহী নিহত হয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা। আরও এক সপ্তাহ আগে তাঁতিবাড়ি এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই মহিলা সহ তিন জন নিহত হয়েছেন। সড়ক সংশ্লিষ্টদের মতে এ অংশটি পুরো রুটের কৌনিক বিপর্যয় হিসেবে কাজ করছে।

বর্তমানে মহাসড়কের সড়ক প্রস্থ বৃদ্ধির জন্য বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত পাঁচ মাসে মাদারীপুর অংশে কমপক্ষে ৩০টি দুর্ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।

২০২৩ সালে মাদারীপুর সড়কে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২৫৮ কোটি টাকা জেলা প্রশাসনে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভূমি অধিগ্রহণ কাজে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ফলে সড়ক সম্প্রসারণ কার্যক্রম অগ্রগতি পাচ্ছে না।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ জেলা প্রশাসনের কাছে প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে টেকেরহাট থেকে ৬ কিলোমিটার অংশ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ব