Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মাছ নেই নদীতে, ভালো নেই গোমতী-মেঘনার জেলেরা

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

মাছ নেই নদীতে, ভালো নেই গোমতী-মেঘনার জেলেরা

Bangladailypost.com – ম ছ ন ই নদ ত ভ - গোমতী ও মেঘনা নদী কুমিল্লার জনপ্রিয় জায়গা ছিল দেশীয় মাছের সম্প্রাপ্ত ও স্বচ্ছ পানির জন্য। সেখানে জীবিকা নির্বাহের জন্য হাজারো জেলে নদীতে আশ্রিত ছিলেন। কিন্তু পরিবেশগত কারণে নদীর জীবন এখন বিপর্যস্ত হয়েছে। পুনরায় নদীতে দেশীয় মাছের পরিমাণ কমে গেছে, কৃষি জমি থেকে ফসলি কীটনাশক পানিতে মিশে নদীতে পড়ছে। এতে জেলেদের আয়ের উৎস হিসেবে মাছ ধরা কমে যাওয়ায় তারা জীবিকা সংকটে পড়েছেন।

দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের গঙ্গাপ্রসাদ গ্রামে জেলে পাড়ার বাসিন্দারা নদীর পাড়ে বসবাস করে আসছেন। এখানে মাছ ধরা তাদের পৈতৃক পেশা। কয়েক বছর ধরে এই পাড়ায় বাসিন্দার সংখ্যা কমছে। বর্তমানে পাড়ায় ১০ থেকে ১২টি পরিবার রয়েছে, যাদের মোট সদস্য সংখ্যা ৫০ থেকে ৫৫ জন। এগুলো সম্পূর্ণ জেলে পরিবার নয়, কিন্তু পূর্বপুরুষের পেশাকে আঁকড়ে ধরে আছেন।

গঙ্গাপ্রসাদ গ্রামের সন্তুস বর্মন (৬৮) ও জয়দেব বর্মন (৫০) বলেন, আগে নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেতো। কলকারখানায় ময়লায় নদীর পানি নষ্ট হয়ে গেছে এখন। মাছ পাওয়া যায় না। সন্তানদের নিয়ে কষ্টে আছেন। রাস্তা ঘাট নেই। রাতে কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথেই অনেকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার জানান, জেলে পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতা চাইলে আমরা চেষ্টা করবো তাদের পাশে দাঁড়ানোর। কিন্তু বর্তমানে কোন প্রজেক্ট নেই এবং কার্ডধারী জেলেদের সহযোগিতা করা হচ্ছে না। আগে সরকারি বিভিন্ন প্রজেক্ট ছিল যার মাধ্যমে কার্ডধারী জেলেদের সহযোগিতা করা হতো।

বাসিন্দারা দাবি করেন, আগে সেই সঙ্গে ময়লা আবর্জনায় নদীকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কলকারখানার ক্যামিকেল যুক্ত পানি নদীর দূষণ বাড়িয়েছে। যার ফলে মাছের বংশ বিস্তারে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গত ১৫ বছর ধরে মাছ কমে গেছে। উজান থেকে নেমে আসা গোমতীর ঘোলা পানির কারণেও মাছ কমে যাচ্ছে। তিন মাস মাছ ধরতে পারলেও বাকি ৯ মাস কৃষি কাজ করতে হয়।

বিশুদ্ধ পানি ও বৈদ্যুতিক লাইটের আলো থাকলেও জেলে পাড়ার বাসিন্দারা এখনও পিছিয়ে যোগাযোগ, শিক্ষা ও চিকিৎসায়। সেখান থেকে নদী পথে দাউদকান্দি আসতে সময় লাগে প্রায় ঘণ্টা খানেক। চিকিৎসা, খাদ্য, বস্ত্রসহ স্কুল কলেজে পড়তে হলে এই নদী পথই তাদের ভরসা।

একই গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ চন্দ্র বর্মন বলেন, ছোট বেলা থেকেই মাছ ধরি। আগে নদীতে নন্দি বাইল্লা, চেউয়া, কাচকি, ট্যাংরা, বজুড়ি, পু