Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মরা করতোয়ায় ১১২২ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তুতি

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

মরা করতোয়ায় ১১২২ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তুতি

Bangladailypost.com – মর করত য় য় ১১২২ ক ট - গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীর দক্ষিণমুখী প্রবাহের পথে নির্মিত স্লুইচগেট বছরের পর বছর বন্ধ থাকায় নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বগুড়ামুখী অংশে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে, যার কারণে নদী দখল, দূষণ ও ভরাটের চাপে মৃতপ্রায় হয়ে আছে। প্রবাহ ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নেই।

নদীর উৎসমুখ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্লুইচগেটের উত্তর পাশে পানির প্রবল প্রবাহ স্পষ্ট রয়েছে। কিন্তু দক্ষিণে বগুড়ামুখী অংশে পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানে নদীর তলদেশ জেগে উঠেছে, চর পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থাপনা নদীর জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গেট বন্ধ থাকায় ভাটির দিকে ১২৩ কিলোমিটার এলাকায় পর্যাপ্ত পানি পৌঁছায় না। ফলে নদী শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির প্রবাহ কমেছে, জমিতে পচা বর্জ্য জমেছে এবং নদীর তীর দখল বেড়েছে।

‘কয়েক দশক আগেও শুকিয়ে যাওয়া করতোয়া নদীতে বড় বড় নৌকা চলত। আর এখন হেঁটেই পার হওয়া যায়।’

প্রবীণ বাসিন্দা পাইলট স্কুলের শিক্ষক আলিম উদ্দিন এটি বর্ণনা করেন।

করতোয়া নদী ছিল পূর্ব তিস্তা নদীর তিনটি প্রধান শাখার একটি। ইতিহাস অনুযায়ী ১৭৮৭ সালে ভয়াবহ বন্যার পর তিস্তার গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়। তার ফলে নদী এখন তিস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন। জেলা নদী রক্ষা কমিটির সদস্য জিয়াউর রহমান বলেন, উৎস পরিবর্তনের পর করতোয়া মৌসুমি বৃষ্টি, আঞ্চলিক জলপ্রবাহ ও প্রাকৃতিক সংযোগ দ্বারা টিকে আছে। কিন্তু বাঁধ, স্লুইচগেট ও ড্রেন সংক্রামক প্রতিযোগিতা নদীর অবস্থা তীব্র করেছে।

বিভিন্ন স্থানে নদীর প্রস্থ সংকুচিত হয়ে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে কালো পানি ও পচা বর্জ্যের স্তর দেখা যায়। পরিবেশবাদীদের মতে পানি নিশ্চিত না করলে স্বাভাবিক আত্মশোধন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দূষণ জমে থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

‘আশির দশকে এই স্লুইচগেটের কারণে �