Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলন, জরিমানা

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলন, জরিমানা

Bangladailypost.com – মধ মত নদ থ ক ব ল - বালু উত্তোলন করার জন্য মাগুরা মহম্মদপুরের মধুমতি নদীতে ড্রেজার ব্যবহার করেছিলেন খন্দকার মামুন অর রশিদ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে শিরগ্রাম এলাকার পূর্ব পাশে করিমের ঘাটে তিনি গুরুতর অপরাধের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পেয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে মধুমতি নদীর জলপ্রপাত এবং অর্থনৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে সরকারের প্রতিবাদ ছিল। অভিযানের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অপরাধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এবং অনেক স্থানীয় বাসিন্দার বিরোধিতা ছিল। এই জরিমানা প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রতিষ্ঠা করেছে নদী গৃহীত বালু বাণিজ্যের সংগ্রামে অব্যাহত অভিযান জনিত।

অপারেশনের প্রতিবেদন ও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য

ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যদের দ্বারা করিমের ঘাটে অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এ বিষয়ে কমিশনার শিল্প ও বাণিজ্য অফিস থেকে জেআইএম মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলনের সময় জারিমানা হয় মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী। অপারেশনে অবৈধ বালু সংগ্রহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দ্বারা গুরুত্বপূর্ণ রকমে তদন্ত করা হচ্ছে। মধুমতি নদী এবং এর সংযোগ স্থানে অপারেশন চালিয়ে বালু উত্তোলনের জন্য তিনি ব্যবহার করেছিলেন একটি ড্রেজার যা মাটি কাটা এবং বালু সংগ্রহের জন্য অবৈধ মানদণ্ড অনুসারে সামান্য এবং জরিমানা প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছে। অপারেশন চালিয়ে এই মামলার জন্য বিভিন্ন কারণ আবিষ্কৃত হয়েছে।

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ও অব্যাহত অভিযান

প্রশাসন জানায় মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদনান আকিব বলেন, নদীর বালু উত্তোলন করার সময় তিনি মামুন অর রশিদকে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের প্রাপ্তি অনুযায়ী জরিমানা করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অপরাধ করেছেন তিনি কর্মসংস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় নদী ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সংকট উঠেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী নদী গৃহীত বালু উত্তোলনের কারণে কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ছিল আপনার সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে এই অপারেশন করা হয়। মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলন হচ্ছিল প্রতিদিন এবং প্রতি মাসে সামান্য রাশি তুলে নেওয়া হচ্ছিল। তিনি বলেন, এই অপরাধের সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে নদীর বালু সংগ্রহের কারণ গুরুতর হয়েছে। সরকার দ্বারা আইন চালু করা হয়েছে এই বালু উত্তোলন প্রতিরোধ করতে।

আদালতের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই মামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে খন্দকার মামুন অর রশিদকে বিশেষ জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলন করার জন্য ড্রেজার ব্যবহার করেছিলেন বাস্তবে কর্মসংস্থাপন অব্যা�