Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভোলায় বন্ধ হাঁস প্রজনন খামার, ভাঙছে হাজারো উদ্যোক্তার স্বপ্ন

Published June 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

ভোলায় বন্ধ হাঁস প্রজনন খামার, ভাঙছে হাজারো উদ্যোক্তার স্বপ্ন

Bangladailypost.com – ভ ল য় বন ধ হ স - আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার বন্ধ হওয়ায় ভোলার খামারিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্ষীণ হয়ে আসছে। প্রাথমিক কালে এই খামার বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থানের প্রধান সূত্র ছিল। এখান থেকে স্বল্পমূল্যে উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা সরবরাহের কারণে একাধিক খামার গড়ে ওঠে। কিন্তু এখন খামারটি কার্যত অচল হয়ে গেছে।

তিন বছর ধরে বাচ্চা উৎপাদন বন্ধ

খামারিরা বলছেন, হ্যাচারির মেশিন ও জেনারেটর বিকল অবস্থায় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জনবল নেই। ফলে প্রায় তিন বছর ধরে হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। সেই সময়ে প্রতিদিন হাঁসের বাচ্চা ফোটানোর জন্য ভীষণ অবস্থা ছিল, এখন সেই চরম চর্চা দেখা যাচ্ছে না।

খামারটির অবস্থা ও প্রতিক্রিয়া

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ২০১৩ সালে ভোলায় খামার নির্মাণ শুরু হয়। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো বাচ্চা উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ধীরে ধীরে কার্যক্রম কমে আসে। ২০২৩ সাল থেকে খামারটি আবারও পূর্ণাঙ্গভাবে বন্ধ রয়েছে।

“বড় আকারের হাঁসের খামার করার পরিকল্পনা থাকলেও উন্নত জাতের বাচ্চা না পাওয়া এবং বাজারে অতিরিক্ত দামের কারণে তা বাস্তবায়ন করতে পারছেন না,” বলেন ভোলা সদর উপজেলার খামারি মো. ছালাউদ্দিন।

তিনি আরও বলেন, সরকারি খামার চালু থাকলে কম দামে উন্নত জাতের বাচ্চা পেয়া যেত। কিন্তু এখন বাজারে একটি বাচ্চার জন্য ৮০ থেকে ১০০ টাকা দিতে হয়। তার মতে, এই খামার বন্ধ থাকায় ভোলার হাজারো খামারি স্বল্পমূল্যে উন্নত জাতের হাঁসের বাচ্চা পেয়ে উপকৃত হবেন না।

“হাঁসের মাংস ও ডিমের ভালো বাজার থাকলেও বাচ্চার সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও খামার করতে পারছেন না,” বলেন ভেলুমিয়া ইউনিয়নের খামারি মো. ইমরান হোসেন।

খামারে আগের কিছু হাঁসের পরিচর্যা ছাড়া তেমন কোনো কাজ নেই। এখন সারাদিন শুধু কয়েকশ হাঁসের খাবার দেওয়া ও দেখাশোনার মধ্যেই কর্মকর্তারা কাটাচ্ছেন অলস সময়।

“আগে খামারে সারাদিন বাচ্চা উৎপাদন, ডিম সংগ্রহ, মেশিন পরিচালনা ও বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকতে হতো। এখন সেই ব্যস্ততা নেই,” বলেন আউটসোর্সিং কর্মচারী মো. সোহাগ হাওলাদার ও মো. রেদোয়ান হাসান।

খামারটির জনবল সংকট তীব্র। স্থবিরতা ও নানা সংকটের চিত্র তুলে ধরেন সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহীন মাহমুদ। এখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি জেনারেটর ও ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য দুটি আধুনিক মেশিন