Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বিদ্যালয়ে না গিয়েও ২৩ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন বিএনপি নেতা

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

বিএনপি নেতা বিদ্যালয়ে আসা ছাড়াও ২৩ বছর ধরে বেতন গ্রহণ করছেন

Bangladailypost.com – ব দ য লয় ন গ য় - বিদ্যালয়ে না গিয়েও ২৩ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন বিএনপি নেতা সেলিমুজ্জান সেলু, যিনি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া বেতন নিয়ে শিক্ষকদের ক্ষোভের কথা উঠছে। স্থানীয় শিক্ষার বিষয়ে সম্পাদকদের বলেন যে, বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া বেতন গ্রহণের বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে।

ভূঞাপুর উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের পর থেকে সেলু শিক্ষক দলের বাসা থেকেই দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে কাজ করছেন যেখানে বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া বেতন গ্রহণের বিষয়ে সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আলোচনা চলছে। সেলু দুই বছর ও আট মাস ধরে নির্বাচন দেওয়ার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান।

বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কার্যক্রম চালানো হচ্ছে রাজনৈতিক কারণে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন না। যখন কোনো শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কাজ করে তখন তা রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হয়। তবে সেলু এটি বিদ্যালয়ে আসা ছাড়াও কাজ করছেন বলে অভিযুক্ত হয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকদের কথা উঠেছে যে, সেলু বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কোনো দাপ্তরিক কাজ করেন না। তাঁদের অনুসারে বিদ্যালয়ে না গিয়ে প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম বাসা থেকেই সম্পন্ন হচ্ছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন যে, সেলু বিগত সরকারের আমলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমান সরকারের আমলেও তা অব্যাহত রেখেছেন। ঈদের ছুটিতে বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কাজ চালানোর বিষয়ে কোনো দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করা হয়নি। তিনি আরও বলেন যে বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কর্মকান্ড বিধিমালার মূল কথা আছে কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতি অবলম্বনে সেলু তা প্রয়োগ করেছেন না।

বিদ্যালয়ে আসা ছাড়া কর্মকান্ডের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো শিক্ষকদের ক্ষোভ। তারা বলেন যে বিদ্যালয়ে না গিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানো দুর্বৃত্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু শিক্ষক জানান যে তারা বিদ্যালয়ে না গিয়েও দুই বছর ধরে কাজ করছেন কিন্তু এটি বিশেষ প্রোগ্রামের বিষয়ে তারা মুখে মুখে কথা বলেছে