Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বান্দরবান / বন্যার পানি নামলেও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ নগরবাসী

Published July 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

বান্দরবানে বন্যার পানি সরে গেলেও দুর্গন্ধ ও ময়�া আবর্জনার সমস্যা বাসিন্দাদের মুখে মুখে উঠে এসেছে

Bangladailypost.com – ব ন দরব ন বন য র - বান্দরবান পৌরসভার আর্মীপাড়া, ক্যাচিংঘাটা, ইসলামপুর ও কালাঘাটা এলাকায় বন্যার পানি ঘুরে দেখা যায়। যদিও পানি নেমে আসার পর থেকে প্রায় কয়েক দিন পাস করেছে, কিন্তু জনদুর্ভোগ কমে আসেনি। পরিবেশে ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বাসিন্দারা ভোগান্তি অনুভব করছেন।

বন্যার সময়ে ছড়িয়ে পড়া প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা, গৃহস্থালির বর্জ্য ও পচনশীল আবর্জনা বিভিন্ন স্থানে জমে আছে। অনেক এলাকায় ড্রেন কাদায় ঢাকা পড়ে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সড়ক, অলিগলি ও বাড়িঘর পরিষ্কার হওয়ার আগে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র দুর্গন্ধ।

আমাদের পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠায় শ্বাস নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। ময়লা আবর্জনার পচা গন্ধে আমাদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট ছোট শিশুদের জন্য আশঙ্কা হচ্ছে যে কলেরা ও ডায়রিয়া সমস্যা বাড়তে পারে।

বাসিন্দারা অপসারণ ও জীবাণুনাশক ছিটানো দাবি জানালেন

বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রিটল বিশ্বাস বলেন, বন্যার সময়ের চেয়ে এখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে। দুর্গন্ধে আরও আরও ভোগান্তি হচ্ছে। তিনি দাবি জানান যে ময়লা আবর্জনা দ্রুত অপসারণ না করলে বিভিন্ন মহামারি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বান্দরবান পৌরসভার কর্মকর্তারা জানান, বন্যার পানি নেমে আসার পর থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজ চলছে। যারা কাদা ও আবর্জনা সংগ্রহ করছেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জীবাণুনাশক ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পানি সম্পূর্ণ কমে গেলে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হবে। কিন্তু বর্তমানে লোকবল ও লজিস্টিক সাপোর্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত কাজটি চলবে বলে জানান কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর দিদারুল হক চৌধুরী।

বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও বিশেষ দৃষ্টিশik প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। এটি বিশেষ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য চিন্তা জাগিয়ে রেখেছে।