Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বজ্রপাতে প্রাণ গেল সেচ ঘরে আশ্রয় নেওয়া কৃষকের

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের জন্য

Bangladailypost.com – বজ রপ ত প র ণ গ - বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক দুর্যুত হিসাবে আমাদের মনে হয়, কিন্তু এই ঘটনা সেচ ঘরে কৃষকের জীবনে নিরাপত্তি হিসাবে কাজ করেনি। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের ঘিরনই এলাকায় শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে বজ্রপাত ঘটে যাওয়ার ফলে কৃষক রহমত উল্যাহ (৩৫) প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি এই দুর্যুতে জীবন নিঃশেষ করেছেন, যখন তার সঙ্গে ছিলেন খোরশেদ আলম। বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের সেচ ঘরে আশ্রয় নেন। যাইহোক, বিদ্যুৎ বিস্ফোটনে রহমত উল্যাহ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ঘটনাস্থলে শেষ না করেন, যদিও তার প্রাণ হারানো হয়েছে। সেচ ঘর যেহেতু কৃষকদের দুর্যুত প্রতিরোধের জন্য আশ্রয় হিসাবে ব্যবহার করা হয়, তবুও এই দুর্ঘটনার প্রাণ হারানো স্থানটি একটি বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে।

বজ্রপাতের স্থান ও সময়

বজ্রপাত ঘটনাটি ঘিরনই এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, যেখানে কৃষক দের মাঠে কাজ করার সময় মনোযোগ দিয়েছেন। দুপুরে বৃষ্টি আসার পর তারা সেচ ঘরে আশ্রয় নেন, কিন্তু হঠাৎ বজ্রপাত ঘটে যায়। বিদ্যুৎ বিস্ফোটনে কৃষক রহমত উল্যাহ প্রাণ হারান, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন খোরশেদ আলম। তিনি জীবিত থাকলেও গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে আরও ছয়টি ছাগল মারা গেছে। সেচ ঘরটি যেহেতু আরও বিপর্যয় প্রতিরোধের জন্য স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয়, তবুও এই বজ্রপাত ঘটনার কারণে তারা প্রাণ হারান নি।

হাসপাতালে চিকিৎসা প্রক্রিয়া

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান জাহিদ সরকার ঘটনার পর খোরশেদ আলমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সম্প্রদায়ের কর্মকর্তারা তাকে স্থানীয় আশ্রয়ের সাথে জীবিত রাখতে সক্ষম হন। খোরশেদ আলম কৃষকদের স্থানীয় কাজে সাহায্য করেছেন, যেখানে তিনি বজ্রপাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হন। রহমত উল্যাহ এর প্রাণ হারানো ফলে সেচ ঘরের অবস্থার সম্পূর্ণ সংকট হয়েছে।

ঘটনার পর বিপর্যয় ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

বজ্রপাত ঘটনার পর স্থানীয় মানুষদের স্থান সংকটে পড়তে দেখে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কৃষকদের মাঠে কাজের সময় বজ্রপাতে আহত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়। এই ঘটনার কারণে সেচ ঘরটি বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। সামাজিক সম্প্রদায় ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য সহায়তা করে। বজ্রপাতে প্রাণ হারানো পরিস্থিতিতে কৃষকদের আশ্রয়ের জন্য সেচ ঘর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসাবে কাজ করে।

এ দুর্ঘটনার পর বিশেষজ্ঞদের তদন্ত করা হয়। তাদের দ্বারা বজ্রপাতে কৃষক রহমত উল্যাহ মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়। বিদ্যুৎ বিস্ফোটন হয়েছে যখন তারা সেচ ঘরে আশ্রয় নেন। প্রাণ হারানো ঘটনার কারণে কৃষকদের জীবন বিপন্ন হয়েছে। যদিও সেচ ঘর একটি সুরক্ষা প্রদানের জন্য ব্য