Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল / শিশু ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগী ৭ গুণ বেশি

Published July 7, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল / শিশু ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগী ৭ গুণ বেশি

Bangladailypost.com – প র জপ র জ ল হ - পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে হাম এবং ঠান্ডা জনিত সমস্যার কারণে ভ্রাম্যমান শিশুদের বাবা-মাকে চিকিৎসা সেবা নিতে বাধ্য করেছে শিশু ওয়ার্ড। এখানে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে রোগীর সংখ্যা সাত গুণ বেশি হয়ে উঠেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নতুন নির্মিত ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়নি কারণ ফার্নিচারের অভাব।

জেলার ১২ লক্ষ মানুষের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল একটি প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে শুধুমাত্র ১৪ টি বেড রয়েছে যার অনুকূলে ১০৫ জন শিশু রোগী ভর্তি। এদের মধ্যে ৪২ জন হাম আক্রান্ত এবং ৬৩ জন ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী সংখ্যা ৩৬ টি বেড এর অতিরিক্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জন প্রবেশ করেছে। পুরুষ ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা এখনও ৩০ টি রয়েছে কিন্তু রোগী সংখ্যা ৭০ জন। পরিস্থিতির কারণে অনেকে মেঝেতে থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

বেডের অভাবে চিকিৎসার মানে আরও প্রশ্ন

অনেকে বলছেন যে বেডের অভাব চিকিৎসার মান কমাচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে প্রায় তিনগুণ রোগী ভর্তি হয়েছে যেখানে কর্মীদের সংখ্যা কম। অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য নার্সদের হিমশিম খাচ্ছে।

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি হয়েছে যেখানে খাবার ও বেড দুটি কম। বাচ্চারা মেঝেতে থাকায় আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে বলে শিশুর অভিভাবক মনিরা আক্তার জানান।

এছাড়াও মেডিকেল অফিসার সজিব পাইক বলেন, বর্তমানে চিকিৎসকের সংখ্যা কম। হাসপাতালে থাকা কর্মীদের প্রতিটি রোগীকে সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে কিন্তু অসুবিধা অব্যাহত থাকছে।

‘বারিন্দায় থাকি কোন সিট পাইতাছি না। খাওন লওনে খুব অসুবিধা হয়। হাসপাতাল দিয়ে কিছুই দেয় না। আমরা গরিব, এই জন্য এখানে আসছি কিন্তু আমরা এখানে কিছুই পাইনা।’ হাম আক্রান্ত শিশুর অভিভাবক বলেন।

১৯৮৪ সালে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছিল ৩১ শয্যা নিয়ে কিন্তু ১৯৯৭ সালে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। ২০০৫ সালে এটিকে নির্মিত ১০০ শয্যার হাসপাতালে রুপান্তর করা হয়। নতুন নির্মিত ২৫০ শয্যার হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু উদ্বোধন হয়নি। নির্মাণের পর চারটি ফ্লোরে প্রাথমিক পর্যায়