পটুয়াখালীতে সালিশে গিয়ে মারধরের শিকার নারী ইউপি সদস্য
পটুয়াখালীতে সালিশদার হিসেবে যাওয়ার সময় ইউপি সদস্যের ওপর মারধর
Bangladailypost.com – পট য় খ ল ত স ল - পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তানিয়া বেগমের ওপর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলার পশ্চিম ঘেরাখালী মোল্লা স্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩৮ বছর বয়সী তানিয়া বেগমের দাবি, স্থানীয় একটি বিরোধের সালিশে তিনি সালিশদার হিসেবে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তার হাত ও মাথায় আঘাত লাগে।
আমি সালিশদার হিসেবে সেখানে যাওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছিলাম। সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সেখানে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে খবির, লিটন গাজী, রিপন, রত্তন, আলমগীর, লিমন ও লতিফ সিকদারসহ কয়েকজন আমাকে মারধর করেন। হামলায় আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আমি বিচার চাই।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও তানিয়া বেগমের ভাই জলিল জানান, তার বোন সালিশদার হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। হামলাকারীরা তাকে দেখেই প্রশ্ন করেন, এখানে কেন এসেছেন। এরপর তার ওপর মারধর শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের কয়েকজন একটি হত্যা মামলার আসামি এবং ওই মামলায় তার বোন সাক্ষী। ওই মামলার জের ধরেই তার ওপর হামলা করা হয়েছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান মোল্লা বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের ঘটনার ওই দিন সালিশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগের দিন কয়েকজন সেখানে ঘর নির্মাণ করতে যান। বিষয়টি ইউপি সদস্যকে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন। সেখানে পৌঁছানোর পরই তার ওপর হামলা করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার সময় আলেপ মোল্লা, শাহজাহান মোল্লা, লাইজু, সাহিদা ও জলিলসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া ও পুলিশের বক্তব্য
তানিয়া বেগমকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত লিটন গাজী। তিনি বলেন, তানিয়া মেম্বারকে কেউ মারধর করেনি। তিনি নিজ ইচ্ছায় রাস্তার মাটিতে শুয়ে পড়েছেন। তিনি সালিশদার, আমরা কেন তাকে মারব?
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পরে এ বিষয়ে আর কেউ থানায় যোগাযোগ করেনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাহমুদ হাসান রায়হান/কেএইচকে/জেআইএম
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is পট য় খ ল ত স ল?পট য় খ ল ত স ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does পট য় খ ল ত স ল matter?পট য় খ ল ত স ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.