Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নেত্রকোনায় দুদিনে দুই শিক্ষার্থীকে অপহরণচেষ্টা, আতঙ্কে অভিভাবকরা

Published July 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

মোহনগঞ্জে দুই শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনা, অভিভাবকদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে

Bangladailypost.com – ন ত রক ন য় দ দ - পৌর শহরের মোহনগঞ্জ এলাকায় দুই দিনের মধ্যে দুই শিক্ষার্থীকে অপহরণের চেষ্টা ঘটে, যা পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দুই ছাত্রের সাথে ঘটনার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রথম অপহরণের বিবরণ

গত সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র জেরিন আক্তার (১১) টিফিন সময় বাইরে বেরুতে চলে গেলে কয়েকজন যুবক তাকে রাস্তায় পড়ে রুমাল তুলতে বলে। ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে অপহরণকারীদের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতে মোহনগঞ্জ রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা এক্সপ্রেস ট্রেনের খাবারের বগি থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। জেরিনকে পরবর্তীতে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, পরে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা মো. কামাল মিয়ার কন্যা।

দ্বিতীয় অপহরণ ঘটনা

গত বুধবার টেংগাপাড়া এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সোমাইয়া আক্তার (৯) বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। যুবক একজন ছাত্রকে মুখ চেপে ধরে বাইরে নিয়ে যায়। পরে ছাত্রটি বিরামপুর বাজার এলাকায় গাড়িতে লাফিয়ে পড়ে, তখন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পরিবারে পৌঁছে দেয়।

অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

“ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এমনিতেই আতঙ্কে থাকি। এ ঘটনার পর সেই আতঙ্ক আরও বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত অপহরণকারীদের গ্রেফতার করা উচিত।”

মোহনগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবা আসমা জানান, ঘটনার পর শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বাইরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সময়ে অভিভাবক বা কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে যেতে বলা হয়েছে।

দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, জেরিনের ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সে বর্তমানে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের গ্রেফতার করা উচিত।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।