Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে সোনাগাজী-দাগনভূঞা উপজেলা

Published July 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে সোনাগাজী-দাগনভূঞা উপজেলা

নদী শাসনে ভৌগোলিক পরিবর্তন

Bangladailypost.com – নদ ভ ঙন ছ ট হচ ছ - ছোট ফেনী নদীর অববাহিকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতি বছর নিজেদের স্বপ্ন ও ফসলি জমি হারাচ্ছেন। বর্ষার বিপর্যয় প্রভাবে টানা বৃষ্টি এবং নদীর করাল গ্রাসে সারা উপজেলার মানচিত্র পরিবর্তিত হচ্ছে। নদীভাঙনের সম্মুখীন হওয়া দুই উপজেলার জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে।

বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচতে কী করছে মানুষ?

গত দুই বছরে নদীভাঙন দুর্বল হয়ে আসছে সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলার মানুষ। সাহেবের ঘাট, কাজীরহাট স্লুইস গেট এবং অন্যান্য স্থানগুলো বাস্তব আকারে মানচিত্র থেকে অদৃশ্য হয়ে আসছে। হাজারো পরিবার নিজেদের সম্পত্তি ও বাসস্থান হারাচ্ছে ভাঙনের প্রভাবে।

‘হঠাৎ ভাঙনে পরিবার নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। চোখের সামনে ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আমরা কিছুই করতে পারছি না।’

বিপর্যয় বাড়ছে নদীর বেষ্টনীর মধ্যে

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর ও দক্ষিণ চর দরবেশ ইউনিয়ন। তালতলী, করিমপুর এবং অন্যান্য স্থানগুলো নদী শাসন ও ভাঙনের চিহ্ন ক্রমশ উঠে আসছে। ভাঙন ঠেকাতে নিজেদের উদ্যোগে বালুর বস্তা বা বাঁশ খাঁচা তৈরি করেও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ নিরাপদ রয়েছে না।

মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বংসের পর থেকে আপাতত নদী নিয়ন্ত্রণহীন

বিশেষ করে মুছাপুর রেগুলেটরের ধ্বংসে নদী নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেগুলেটরটি বিলীন হওয়ার পর থেকে সোনাগাজী উপজেলার বিস্তৃত এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখন জোয়ারের সময় লবণাক্ত পানি সরাসরি লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। ভাটার সময় তীব্র স্রোত নদীর তীর ধসিয়ে দিচ্ছে।

‘দ্রুত নদী শাসন ও স্থায়ী বাঁধ না দিলে পুরো এলাকা মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।’

বাঁচতে হাজার হাজার পরিবার নিয়ে আতঙ্কে ঢুকেছে

এখন সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলার বিস্তৃত এলাকায় নদীভাঙনের হুমকি অদৃশ্য হয়ে আসছে। হাজারো পরিবার ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভাঙন চলাকালীন সময়ে সাহেবের ঘাট