কল্যাণপুরে মহাসড়ক নির্মাণে দীর্ঘদিনের বাধা দূর
Bangladailypost.com – দ র ঘ জট লত র অবস – হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কল্যাণপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে রূপান্তর প্রকল্পের কাজে নতুন গতি এসেছে। ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা স্থানীয় এমপি ও হুইপ জি কে গৌছের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্মাণাধীন সড়ক পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, প্রকল্প কর্মকর্তা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আলোচনায় সমাধানের পথ খুলেছে
সভায় হুইপ জি কে গৌছ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। মহাসড়ক নির্মাণে যেসব ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সেগুলোর যথাযথ পুনর্বাসন এবং আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় ও আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন প্রকল্পের আওতায় কল্যাণপুর এলাকায় একটি মন্দির, দুটি মসজিদ, একটি কবরস্থান, একটি শ্মশান এবং একটি মাদ্রাসার জমি অধিগ্রহণ করা হয়। তবে নকশা পরিবর্তনের দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জমি ছাড়তে আপত্তি জানানো হলে ওই অংশের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল।
এ জটিলতা নিরসনে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এবং পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও কার্যকর সমাধান হয়নি। পরে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করেন জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গৌছ এমপি। সেই আলোচনার ফলেই বিরোধের অবসান হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, দীর্ঘদিনের এই জটিলতা দূর হওয়ায় এখন মহাসড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন তালুকদার, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী বেদমানন্দ নন্দজি, ইসকনের অধ্যক্ষ উদয় গৌর ব্রহ্মচারী, মসজিদ ও মাদরাসা কমিটির সভাপতি মোতাহের হোসেন, অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন, অ্যাডভোকেট স্বরাজ বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট অহিন্দ্র দত্ত, শংকর পাল, সুখলাল সূত্রধর, অ্যাডভোকেট মিঠু গোপসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেএইচকে
