AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক / ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর থেমে থেকে চলছে যানবাহন

Published June 30, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ সময়ের যানজট ও অবরোধ

Bangladailypost.com – ঢ ক চট টগ র ম মহ - ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংঘটিত অবরোধের ফলে গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে থেকে সীতাকুণ্ড অঞ্চলে যানবাহনের চলাচল বাধা গ্রস্ত হয়েছে। বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সমর্থকদের তীব্র বিক্ষোভের কারণে অবরোধ করা হয়েছিল যা প্রায় তিন ঘণ্টা চলে। এই সংঘটনার পর এখন মহাসড়কের একটি অংশে পরিস্থিতি কিছুটা আমূল পরিবর্তন হয়েছে এবং যানবাহনের চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। যানবাহন চলাচলের বৃদ্ধি সাধন করা হলেও আটকে থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ অব্যাহত থাকছে।

গরমে যাত্রীদের ভোগান্তি

অবরোধের ফলে রাস্তায় আটকে থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ প্রায় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। গরমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে এবং কিছু অঞ্চলে পরিবারের সদস্যদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। যানজট কারণে নারী ও শিশুদের বিশেষ করে আটকে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ দরকার বলে মনে করা হচ্ছে।

“ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ হওয়ার কারণে আমাদের এক ঘণ্টার জ্যামে আটকে রাখা হয়েছে। গরমে যাত্রীদের অবস্থা খারাপ হয়ে উঠছে।”

বিএনপির বিক্ষোভের কারণ

বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সমর্থকদের তীব্র বিক্ষোভের কারণ হল তাঁর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না বলে আদালত রায় দিয়েছে। এজন্য বিভিন্ন স্থানে অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যানজট কারণে প্রতিদিনের সাধারণ পরিবহন ব্যবস্থা বিস্তার লাভ করছে না। এই সংঘটনার পর এখন অবরোধকারীদের প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন হয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য সন্ধ্যায় সম্মেলন সংগঠিত হয়েছিল।

পুলিশের বিশ্লেষণ ও ক্রিয়াকলাপ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সড়ক অবরোধের কারণে ব্যারিকেড সৃষ্টি হয়েছিল যা বিভিন্ন জায়গায় যানবাহন চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি করেছে। কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নুরুল আবছার বলেন, “ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ করা হয়েছিল কিছু স্থানে যাতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই বিক্ষোভের ফলে এখন মহাসড়কের সম্পূর্ণ চলাচল আটকে রয়েছে কিন্তু কিছু অংশে পুনরায় স্বাভাবিকতা স্থাপন হয়েছে।” আরও কিছু সময় লাগতে পারে যাতে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আটকে রাখা যায়।

“যানবাহনের জন্য রাস্তার আটকে রাখা বিশেষ করে আটকে থাকা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আটকে রাখা বিষয়ে সবার চিন্তা আছে।”

গ্রামীণ ও শহরী সংঘর্ষ বৃদ্ধি

অবরোধের ফলে গ্রামীণ ক্ষেত্রে সড়ক ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেলে অসংখ্য গ্রামীণ যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এই সংঘটনার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে যানজট ও সংঘর্ষের চালু হয়েছ