Country

জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুই কমিটিতে আওয়ামী লীগ নেতা

জ ল প রশ সন র গ - ফেনা জেলা প্রশাসনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সদস্য আবদুল মোতালেবকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

Desk Country
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786704654_6a7ef30e404f0
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. ফেনায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার কমিটিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ফেনায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার কমিটিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক

Bangladailypost.com – জ ল প রশ সন র গ – ফেনা জেলা প্রশাসনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সদস্য আবদুল মোতালেবকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের সদস্যরা এবং সাধারণ জনগণ এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের পদধারী নেতাকে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দুটি কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

কমিটি দুটির গুরুত্ব ও মোতালেবের দাবি

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের তদারকিতে গঠিত জেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি এবং মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটিতে আবদুল মোতালেবের নাম উঠে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি ও পদোন্নতি সংক্রান্ত কাজে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ এবং সংশ্লিষ্ট আপিলের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আবদুল মোতালেব ফেনা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির ৫১ নম্বর সদস্য। পাশাপাশি তিনি ফেনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সদস্যসচিব এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও আছেন। তবে মোতালেবের দাবি, তিনি কোনো কমিটিতে সদস্য হওয়ার জন্য তদবির করেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে নিষিদ্ধ সংগঠনের একজন নেতাকে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। কেউ কেউ এ সিদ্ধান্তের পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছেন, তা তদন্তের দাবিও জানান।

রামপুর সৈয়দ বাবির বাসিন্দা সৈয়দ আকরাম ফেসবুকে লিখেছেন, এই ভদ্রলোক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেনা পাইলট হাই স্কুলের ১২৫ বছর উদযাপনের অর্থ কমিটির আহ্বায়ক থাকা অবস্থায় পাওনাদের টাকা না দিয়ে টাকা মেরে কক্সবাজার চলে গেছে। আমিও ৪৫ হাজার টাকা পাই।

ফেনা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট শহীদুল আলম ইমরান তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ফেনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুল মোতালেবকে সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।

সরকারি কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

ফেনা পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আবদুল মোতালেবকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফেনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্যকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য করা হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তর থেকে কারা সরকারকে বিতর্কিত করছে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘সরকার ঘোষিত রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ফেনা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির ৫১ নম্বর সদস্য আবদুল মোতালেবকে সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এর দায় কার?’

এ বিষয়ে আবদুল মোতালেব বলেন, ‘আমি কোথাও সদস্য হওয়ার জন্য তদবির করিনি। প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কমিটির বিষয়ে আমি জানি না কে বা কারা আমার নাম দিয়েছে। আমি সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, সেই হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা আপিল কমিটিতে থাকতেই পারি।’ এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন আপিল কমিটিতে আবদুল মোতালেবকে সদস্য করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুরোধ ছিল।

ফেনা জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, ‘ফেনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জলাল আবদিনের অনুরোধের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধা আপিল কমিটিতে আবদুল মোতালেবকে সদস্য করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্যসহ অন্য পদগুলোতে তাকে নিয়ে যেহেতু সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেক্ষেত্রে তাকে বাদ দেওয়া যেতে পারে।’।

পটভূমি ও স্থানীয় দাবি

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদোন্নতির জন্য চলতি বছর জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত নীতিমালাও পরিবর্তন এনে বদলি কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’র পরিবর্তে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিধান করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়, যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা উচিত। একই সঙ্গে আবদুল মোতালেবকে এসব কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

Frequently Asked Questions

What is জ ল প রশ সন র গ?

জ ল প রশ সন র গ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does জ ল প রশ সন র গ matter?

জ ল প রশ সন র গ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment