AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গাইবান্ধা / তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর, ১১৮ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট

Published June 30, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

গাইবান্ধায় নদী পানি কমছে আবার বাড়ছে; ভাঙনে ফসল ও বাসস্থান হারিয়েছে

Bangladailypost.com – গ ইব ন ধ ত ব র - গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, যমুনা, ব্রাহ্মপুত্র ও করতোয়া নদীতে পানির পরিমাণ চলছে উপরোক্ত পরিবর্তনের মধ্যে। নিম্নাঞ্চলে কমপক্ষে ১১৮ হেক্টর জমি ফসল নষ্ট হয়েছে ভাঙনের কারণে। এতে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর এবং চরাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসের দৃশ্য দেখা দিয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী সাত উপজেলায় নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বন্যার প্রভাবে প্রায় ১১৮ হেক্টর জমির ফসল আঘাত পেয়েছে।

নদী তীরে প্রবাহের পরিবর্তন ও এলাকা বিলীন

সাত উপজেলার মধ্যে রয়েছে আউশ ৪৫ হেক্টর, পাট ৩০ হেক্টর, তিল ২৫ হেক্টর, আমন বীজতলা আট হেক্টর ও শাকসবজি ১০ হেক্টর। গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার নিচে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। দুই দিনের মধ্যে পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৪৩ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। ব্রাহ্মপুত্র নদীতে ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে পানি ১৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

গোবিন্দগঞ্জের করতোয়া নদীর চকরহিমাপুর স্টেশন পয়েন্টে পানি করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৫৪ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রাহ্মপুত্র নদীতে পানি ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘাঘট নদীতে জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে পানি জেলার শহরের পাশে পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানা গেছে।

ভাঙনে বিলীন হয়েছে বাসস্থান ও ফসলি জমি

গাইবান্ধার ভাঙন চলছে চার উপজেলার অন্তত ২৫টি পয়েন্টে। নদীতে পানি বেড়ে বা কমে যাওয়ার প্রভাবে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বাসস্থান এবং আবাদি জমি। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের চৌমহন চর, খাটিয়ামারি ও কাউয়াবাদা এলাকায় তীব্র ভাঙনে আট শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিপুল পরিমাণ গাছপালা।

“আমার বাবার সঙ্গে হয়েছে বহুবার। এবছরও ভাঙন চলছে। আরও অনেক পরিবার ভাঙনের মুখে রয়েছে।”

“আমার তিন বিঘা জমির আউশ ধান তলিয়ে গেছে।”

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মাঠ পর্যায়ে হিসাব অনুযায়ী জেলায় ফসল নষ্ট হয়েছে ১১৮ হেক্টর জমি। বন্যার পানি দীর্ঘ সময় স্থায়ী থাকলে তালিকা আরও বাড়বে। নদীতীরবর্তী এবং চরাঞ্চলের প্রতিক্রিয়া বিষয়ে জিওব্যাগস