Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গাইবান্ধায় নদীভাঙন রক্ষা কাজে অনিয়মের অভিযোগ

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

গাইবান্ধায় নদীভাঙন রক্ষা প্রকল্পে অনিয়ম বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগ

Bangladailypost.com – গ ইব ন ধ য় নদ ভ - গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ঘাঘট নদীতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের মতে, নদী ভাঙন রক্ষা প্রকল্পের কাজে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে যার ফলে আবারও ভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে সরেজমিনে যেখানে মুন্সীপাড়া ও পাটনীপাড়া স্থানে কাজ চালানো হচ্ছে।

গাইবান্ধার নদী ভাঙন রোধ প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় হাসেন আলী হাসান। তিনি গুণগত কম ফেব্রিক্সের জিওব্যাগ ব্যবহার করে নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজ করছেন। রাতে মেশিন চালানো হচ্ছে এ কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আবারও ভাঙনের আশঙ্কা বিস্তার পেয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি ও অভিযোগ

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুসারে, হাসেন আলী হাসান দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বালু অবৈধভাবে তুলে বাণিজ্য করে আসছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক বিস্তার করে তিনি প্রকল্পের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এ কাজের সুযোগ ব্যবহার করে নদী পারে বালু সরবরাহ করছেন তিনি।

“কথিত হাসেন আলী হাসান দীর্ঘ দিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বাণিজ্য করে আসছেন। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় ব্যক্তির সঙ্গে আতাঁত করে ভাঙন রক্ষা কাজে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। এতে করে সাময়িক ভাঙন রোধ হলেও তা টেকসই হচ্ছে না। কিছুদিন পরে আবারও জিওব্যাগ ফেটে ও ধসে পড়ে ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।”

স্থানীয় ভুক্তভোগী মিম ও দুলালী বেগম বলেন, প্রকল্পের জন্য নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজ করছেন তিনি।

প্রকল্পের প্রাথমিক পরিচয়

ঘাঘট নদীর তীব্র ভাঙনে নদী তীরে বাস করা মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়েছে। সেই দুর্দশার পরিপ্রেক্ষিতে নদী ভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ দাবিতে প্রকল্প কাজের সূত্রপাত ঘটেছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন জানান, মেশিন বসানো বালু উত্তোলনের বিষয়টি তাঁর দায়িত্ব নয়। ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বলে তিনি জানান।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি নিয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সেই সাথে খতিয়ে দেখার চেষ্টা করবেন বলে তিনি আশা করছেন।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “বারো-তেরো লাখ টাকার কাজেও আপ