Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

খুলনা / ব্যবসাবান্ধব বাজেট বলছে চেম্বার, ঋণ-মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা নাগরিকদের

Published June 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

খুলনায় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিতর্ক উত্থাপিত

Bangladailypost.com – খ লন ব যবস ব ন ধব - জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত নতুন বাজেট নিয়ে খুলনায় মত বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এ বাজেট সময়োপযোগী এবং উন্নয়নের প্রতি সহায়তা করেছে। তবে নাগরিক সমাজ তার মূল্য বৃদ্ধি ও ঋণ বোঝার বিষয়ে সমালোচনা করেছে।

খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যুগ্ম সচিব সুবর্ণা হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। নারী ও প্রবীণদের জন্য আয়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে স্বাক্ষরিত ঘোষণা রয়েছে।

সাধারণ মানুষের জীবন জুড়ে স্পষ্ট প্রভাব রয়েছে

বাজেটে ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও মাছ, মাংস সহ বিভিন্ন দ্রব্য উপর কর ও শুল্ক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কর কমিশন করা হয়েছে বিলাসী পণ্যের জন্য।

বাজেটে দেশের ৯৯ শতাংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কর আরোপের বিষয়ে উচ্চবিত্ত বা সচ্ছল ব্যক্তিদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষ করের পরিবর্তে পরোক্ষ করের প্রতি বেশি জোর দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য উর্ধ্বগতি উৎসাহিত হয়েছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, সংসদে সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেট মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও বৃদ্ধি করেছে। তিনি আরও বলেন, ঋণ পরিশোধের বোঝা ও বৃদ্ধি পাওয়া ঘাটতি পরিস্থিতির কারণে সরকার এখন ধনিক শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ করেছে বলে মনে হচ্ছে। শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি উপেক্ষিত রয়েছে বলে তিনি আরও মন্তব্য করেন।

উপকূলীয় অঞ্চল ও সুন্দরবনের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, সুন্দরবনের জন্য মাছ, মধু ও কাঁকড়া খাতে বিপুল রাজস্ব আয় সম্ভাব্য হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জেলে ও বাওয়ালীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে মধু আহরণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়া হলে মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষিত হবে। তেমনি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ক্ষতি কমবে।