Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কক্সবাজারে বন্যা / মহাসড়কে কোমরসমান পানি, দুর্ভোগে ৫-৬ লাখ মানুষ

Published July 11, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

কক্সবাজারে বন্যা ঘটনা তীব্র হয়ে উঠেছে

Bangladailypost.com – কক সব জ র বন য মহ - গত চার দিন ধরে জেলার বিস্তৃত এলাকা প্লাবিত হচ্ছে টানা বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢালের কারণে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যার পর থেকে আগের চেয়ে পানি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। প্রায় তিন ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি দল।

আব্দুল মালেক (৪০) বলেন, ‌‘দুদিন পানিতে ভেসে ছিলাম। পানি ঘরের আড়া পর্যন্ত পৌঁছালে সবাই ঘরের চালে আশ্রয় নিই। সকালে একটি নৌকা পেয়ে তিন সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে বানৌজা সড়কে যাচ্ছিলাম। কিছুদূর এগিয়ে যেতেই ঝড়ো বাতাসে নৌকাটি ডুবে যায়। স্ত্রী, মেয়ে জেরিন-শাওরিনকে নিয়ে সাঁতার কেটে কূলে ফিরে আসি। তবে ঝর্ণা বন্যার পানিতে তলিয়ে আমাদের বুকটা খালি করে গেছে।’

রসুলাবাদ খুবই নিচু। সেখানে পুরো একটি গ্রাম ডুবে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় ওই গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার এক কিলোমিটার দূরে বানৌজা সড়কের ওপর আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে যাওয়ার পথেই মালেক তার মেয়েকে হারিয়েছেন।

সূত্র জানায়, গত পাঁচ দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। মালেকসহ ওই এলাকার অন্তত ৩০০ পরিবারের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে।

বন্যার পানিতে মারা যাওয়া শিশুর পরিবারে নগদ ২০ হাজার টাকা সহায়তা ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার জন্য ২০ টন শুকনা খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম জানান, বাঁকখালী নদীর পানি ৫ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ৬ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছে, যা বিপৎসীমার চেয়ে বেশি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, গত ছয়দিনে জেলায় প্রায় ৭০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুক্তভোগীদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। সকালে একটু বৃষ্টি কমলেও আবার বেড়েছে।

কক্সবাজার সদরের পিএমখালী, বাংলাবাজার, খরুলিয়া, রামুর খুনিয়াপালং, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, জোয়ারিয়ানালা, রশিদ নগর, কচ্ছপিয়া, ফতেখারকুল, চাকমারকুল, উখিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম বুকসমান পানিতে ডুবে আছে। এক