Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইঞ্জিন বিকল, দুই ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকার পথে তিস্তা এক্সপ্রেস

Published July 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ইঞ্জিন বিকল, দুই ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকার পথে তিস্তা এক্সপ্রেস

Bangladailypost.com – ইঞ জ ন ব কল দ ই - তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ইঞ্জিন বিকল দেওয়ার কারণে ঢাকার পথে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বাম্পে দাঁড়াতে হয়। এটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে আটকে থাকার ফলে যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ঘটে। ইঞ্জিন বিকল দেওয়ার পর ময়মনসিংহ থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনা হয় এবং ট্রেনটি আবার ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করে।

ট্রেনের যাত্রা কীভাবে বাধা পড়েছিল

রেল ট্রাফিক পরিচালনার সময় ইঞ্জিন বিকল দেওয়া ট্রেনটি জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর পর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যাত্রীদের ওঠানামা সমাপ্ত হওয়ার পর এটি চালু হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল কিন্তু ইঞ্জিন বিকল দেখা যায়। এতে ট্রেন স্টেশনের অপেক্ষায় থাকে এবং যাত্রীদের বিলম্ব হয়।

রেল প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা

জামালপুর রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ বাজার স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তিস্তা এক্সপ্রেস জামালপুর স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের ওঠানামার সময় সমস্যা দেখা দেয় এবং ইঞ্জিন বিকল দেওয়া কারণে ট্রেনটি আটকে পড়ে।

ইঞ্জিন বিকল দেখে রেল প্রশাসন সতর্কতা নিয়ে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনে। সেটি সংযুক্ত করার পর ট্রেনটি পুনরায় চলাচল শুরু করে। দুই ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেনটি ঢাকার পথে যাত্রা করার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এই ঘটনা রেল সংস্থার পরিবহন ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যায়।

তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যে ইঞ্জিন বিকল দেওয়ার কারণে অপেক্ষায় থাকে, তা সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিল। যাত্রীদের মধ্যে বিপাক দেখা যায় এবং ইঞ্জিন বিকল দেখে ট্রেনটি জামালপুর স্টেশনে আটকে থাকে। এই বিলম্ব কারণে বেশ কিছু যাত্রী সময় ব্যয় করে।

রেল সংস্থার তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় এবং ইঞ্জিন বিকল দেখে প্রতিক্রিয়া অপেক্ষা করে। ময়মনসিংহ থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনা হয় এবং ট্রেনটি পুনরায় চলাচল শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ট্রেনটি জামালপুর থেকে পুনরায় চলাচল শুরু করে।

এই ইঞ্জিন বিকল দেখে ট্রেন যাত্রীদের জন্য বিশেষ অসুবিধা ঘটে। যাত্রীদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি আটকে পড়ে এবং ট্রেনটি ইঞ্জিন বিকল দেখে ক্ষমতা কমে। এতে রেল সংস্থার প্রতিক্রিয়া হয় এবং বিকল্প ইঞ্জিন আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল দেখা যায় এবং তা রেল পরিবহন ব্যবস্থার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে। পরে ইঞ্জিন বিকল দেখে বিকল্প ইঞ্জিন আনা হয় এবং ট্রেনটি পুনরায�