শাবিপ্রবিতে ‘বিকৃত কায়দায়’ র্যাগিংয়ের অভিযোগ তদন্তে কমিটি
শাবিপ্রবিতে র্যাগিং অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন
Bangladailypost.com – শ ব প রব ত ব ক - শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রশাসন 'বিকৃত কাগদা' র্যাগিংয়ের অভিযোগ তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন সিকদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।
তদন্ত কমিটির গঠন ও দায়িত্ব
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে রিপন ছাত্রাবাসে র্যাগিংয়ের অভিযোগের পরই এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সভাপতি ছাড়াও কমিটির বাকি চার সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ওমর ফারুক, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রভাষক মোহাম্মদ শোয়াইব এবং প্রভাষক মো. সাদেকিন। কমিটিকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সৈয়দ মুজতবা আলী হল সংলগ্ন একটি ছাত্রাবাসে প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিকৃত কাগদা র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে একই ছাত্রাবাসের ছয় সিনিয়রের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, র্যাগিংয়ের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় ছাত্ররা আন্দোলনের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। ছাত্রনেতারা বলছেন, বিকৃত কাগদা র্যাগিংয়ের মতো ঘটনাগুলো পুনরাবৃত্তি হওয়া উচিত নয়। তারা চায় যে, এমন অভিযোগ আসলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু হোক।
শাবিপ্রবিতে র্যাগিং বিরোধী কমিটি আগেও একাধিকবার গঠন হয়েছে। তবে এবারের কমিটিতে সহকারী প্রক্টরদের নেতৃত্ব দেওয়ায় ছাত্ররা আশাবাদী। তারা মনে করছে, এই কমিটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পরিচালনা করতে পারবে।
প্রশ্ন ও উত্তর
র্যাগিংয়ের অভিযোগ কীভাবে দায়ের করা যায়? ছাত্ররা সরাসরি প্রক্টর অফিসে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাগিং বিরোধী কমিটিতে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
তদন্ত শেষে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে? অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কার, সাসপেনশন বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
র্যাগিংয়ের অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কী? সাধারণত ঘটনার ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগ দায়ের করা উচিত বলে বিশ্ববিদ্যালয় নির্দেশনা দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি শীঘ্রই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সাথে সাক্ষাৎ করবে। এছাড়াও, অভিযুক্ত ছাত্রদের সাথেও আলোচনা করা হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is শ ব প রব ত ব ক?শ ব প রব ত ব ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does শ ব প রব ত ব ক matter?শ ব প রব ত ব ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.