Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডাকসুর ‘ঈদ কথন ২০২৬’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

Published September 8, 2026 · Updated September 8, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে সাহিত্যের নতুন মাত্রা: 'ঈদ কথন ২০২৬'-এর পুরস্কার বিতরণ

Bangladailypost.com – ড কস র ঈদ কথন ২০২৬ - বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক-সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত 'ঈদ কথন ২০২৬' প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় ডাকসুর নিজস্ব সভাকক্ষে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পরিচালিত এই প্রতিযোগিতায় পাঁচজন বিজয়ী শিক্ষার্থীর হাতে নগদ পুরস্কার, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদ তুলে দেওয়া হয়।

বিচারিক প্যানেল ও নির্বাচন প্রক্রিয়া

প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের কবি ও কথাসাহিত্যিক আশীফ এন্তাজ রবি, হাসান রোবায়েত এবং কিঙ্কর আহসান। ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাফিয়া জানান, বিচারক প্যানেল প্রতিযোগিতায় জমা পড়া বিপুলসংখ্যক লেখার মধ্যে থেকে সেরা পাঁচজনকে নির্বাচন করেছেন। এই নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও মানসম্মততা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

প্রথম স্থান অর্জনকারীর অভিজ্ঞতা

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থী এশা তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন,

ডাকসুর এমন নান্দনিক ও ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিজয়ী হতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও সৃজনশীল কাজের মূল্যায়নে এ ধরনের উদ্যোগ নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।

এই মন্তব্যটি প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে — ক্যাম্পাসের ভেতরেই তরুণ লেখকদের সৃজনশীল শক্তি প্রকাশের একটি সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পাঠ্যক্রমের বাইরে সাহিত্যিক দক্ষতা বিকাশের সুযোগ সীমিত থাকলেও, এমন প্রতিযোগিতা সেই ফাঁক পূরণে ভূমিকা রাখে।

ডাকসু ভিপি-এর বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কারিম। তিনি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা ও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান। এরপর তিনি ডাকসুর সাম্প্রতিক ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সাদিক কারিম জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর ডাকসুকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কার্যকর স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের অসহযোগিতা ও বাজেটস্বল্পতার সত্ত্বেও ফ্রি হেলথ ফেস্ট, ইকো বাস, বিভিন্ন হলে কম্পিউটার ল্যাব ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এছাড়া তিনি দায়িত্বের এক বছর শেষে ডাকসুর কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পূর্ণাঙ্গ হিসাব ও জবাবদিহি প্রদানের মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তরে প্রস্তুত বলে জানান। একই সঙ্গে দ্রুত ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। এই আহ্বানটি ক্যাম্পাস রাজনীতির স্বাভাবিক চক্রের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নির্বাচন বিলম্বের ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের ফাঁক সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও উপস্থিত ব্যক্তিত্ব

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য শাহীনুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান (খান জসিম), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনিরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাস সাহিত্যের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়, যার ক্যাম্পাসে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী পাঠ করে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাহিত্যিক প্রতিভার বিকাশ নিশ্চিত করা একটি দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। ডাকসুর মতো ছাত্র-প্রতিনিধি সংস্থা যখন সাহিত্যিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, তখন তা কেবল একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয় — এটি ক্যাম্পাস সংস্কৃতির গঠনমূলক অংশ।

'ঈদ কথন ২০২৬'-এর মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীল লেখার অভ্যাস গড়ে তুলে, একই সঙ্গে বিচারক প্যানেলের মাধ্যমে পেশাদার সাহিত্যিক মতামতের সংস্পর্শে আনে। চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এই প্রতিযোগিতার জনপ্রিয়তা ও ক্যাম্পাসের সাহিত্যিক আগ্রহের পরিমাপ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক জীবন আরও সমৃদ্ধ ও গঠনমূলক দিকে এগোবে বলে আশা করা যায়।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ড কস র ঈদ কথন ২০২৬?

ড কস র ঈদ কথন ২০২৬ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ড কস র ঈদ কথন ২০২৬ matter?

ড কস র ঈদ কথন ২০২৬ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.