জবিতে ভিডিও করায় শিক্ষার্থীর চোয়াল ভেঙেছে ছাত্রদল
জব ত ভ ড ও কর য় - গণিত বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহ শোয়েব ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্ল্যাকার্ড
Table of Contents
জবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকালে ছাত্রদলের হামলায় শিক্ষার্থীর চোয়াল ভাঙল
Bangladailypost.com – জব ত ভ ড ও কর য় – গণিত বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহ শোয়েব ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ইস্যুতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ভিডিও ধারণের সময় তিনি মারধরের শিকার হন। হামলায় তার চোয়াল ভেঙে গেছে। অস্ত্রোপচারের পরও তিনি কথা বলতে পারছেন না। কাগজে লিখে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করছেন তিনি।
চিকিৎসা ও আহতের বিবরণ
গত ৪ আগস্ট প্রথমে ক্যাম্পাসে হামলা হয়। এরপর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে ফের হামলার শিকার হন শোয়েব। চিকিৎসক ও সহপাঠীদের মতে, হামলায় তার চোয়াল ভেঙে গেছে। সাতটি দাঁত পুরোপুরি স্থানচ্যুত হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তিনি রাজধানীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
শোয়েবের বড় ভাই কাজী আরিফ জানান, চিকিৎসার পর শোয়েব তাকে মেসেজ করে জানিয়েছেন, তার চোয়ালের ভেতরে স্টিলের প্লেট বসানো হয়েছে। এক বছর পর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ওই প্লেট খুলে ফেলতে হবে। প্লেট থাকা অবস্থায় এমআরআই করানো যাবে না বলেও চিকিৎসক জানিয়েছেন।
খাদ্য ও চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা
হাসপাতালের চিকিৎসক বলেছেন, তাকে পাঁচ মাস গরুর মাংস এবং ছয় মাস কোনো ধরনের শক্ত খাবার, সিমের বিচি ও হজমগত খাবার খাওয়া যাবে না। এছাড়া সব ধরনের শক্ত খাবার চিবানো থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বন্ধুর বর্ণনা
শোয়েবের বন্ধু রাকিবুল ইসলাম জানান, রাতে তিনি ম্যাথমেটিকস-১৯তম ব্যাচের বন্ধু শোয়েবের খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান। তিনি জানান, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিডিও ধারণের সময় শোয়েবকে মারধর করা হয়। পরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তিনি হামলার শিকার হন। চোয়ালে আঘাতের পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, হামলায় শোয়েবের সাতটি দাঁত পুরোপুরি স্থানচ্যুত হয়েছে। প্রায় দুই ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর তিনি আপাতত শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। তবে এখনো কথা বলতে পারছেন না। কথা বলার চেষ্টা করলে রক্তপাত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
রাকিব আরও জানান, কথা বলতে না পারায় শোয়েব কাগজে লিখে তার প্রয়োজনীয় কথাগুলো জানাচ্ছেন। সেখানে শোয়েব লিখেছেন, ‘ব্রেইন ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। নাস্তা করে নামাজ পড়ে স্লিপে (ঘুমাতে) যাই। ঠোঁটের ফোলা কমবে কখন? ব্রাশ কখন করতে পারব?’
হামলার পটভূমি
গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের কর্মসূচিতে জকসুর নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের চেষ্টা করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পক্ষ থেকে তাতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে জকসু প্রতিনিধি, ছাত্রশক্তি ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদল হামলা চালায়।
এতে আহতদের তাৎক্ষণিক ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুনরায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকসহ বহু মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নূর মোহাম্মদের ওপরও পৃথক হামলার চালানো হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is জব ত ভ ড ও কর য়?
জব ত ভ ড ও কর য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does জব ত ভ ড ও কর য় matter?
জব ত ভ ড ও কর য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.