জাবির শিক্ষার্থী আটক: ফেসবুক পোস্টে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা নিয়ে বিতর্ক
Bangladailypost.com – আন দ লনক র দ র জ – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শারাফাত শারিক রোহানকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। ফেসবুকে জুলাই আন্দোলনকারীদের ‘জুলাই জঙ্গি’ ও ‘জুলাই মুরতাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
বুধবার দুপুরে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হল থেকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
দুটি পোস্ট নিয়ে সমালোচনা
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোহানের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে করা দুটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রথম পোস্টে তিনি লিখেছিলেন:
সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে ব্যবহার করে, দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে, শত শত নিরীহ মানুষের লাশের ওপর পা মেরে রাজনীতি করা ‘জুলাই জঙ্গি’দের পতন সমাগত। সত্য প্রকাশিত হবেই ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সত্যবাদীদের সঙ্গে আছেন। জুলাই মুর্দাবাদ, মুক্তিযুদ্ধ জিন্দাবাদ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
দ্বিতীয় পোস্টে তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর মন্তব্য করেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিতর্ক থাকতে পারে। তবে মুক্তিযুদ্ধ কোনো বিতর্কিত বিষয় নয়। যেই গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করার জন্য ‘আমি কে তুমি কে, রাজাকার রাজাকার’ স্লোগান দিয়েছে ও অতি আবেগী সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিপথগ্রস্ত করেছে, বিএনপির মতো তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধপন্থি দল তা সমর্থন দিয়ে প্রতারণা করে ক্ষমতায় এসেছে, তারা সমান দোষে দুষ্ট।
এছাড়া তিনি বামপন্থি দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেছেন এবং লিখেছেন, ‘পট পরিবর্তন হলে আপনাদের সবাইকে এক মাপকাঠিতেই দেখা হবে। আপনারা সকলেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী। বিশ্বাসঘাতক। লক্ষ লক্ষ শহীদ, হাজার হাজার ধর্ষিতার প্রশ্নের জবাবে আপনারা কী বলবেন ঠিক করে রাখেন। আল্লাহ বুঝ দান করুক।’
শিক্ষার্থীদের পদক্ষেপ ও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত
পোস্ট দুটি ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীরা রোহানকে হল থেকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শারাফাত শারিক রোহান বলেন, ‘জুলাইকে টার্গেট করা আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের ওপর যে আঘাত এসেছে, সেটাকে সমালোচনা করতে গিয়ে আমার শব্দচয়নে ভুল হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আপাতত আইসিটি আইনের পরিপন্থি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
রকিব হাসান প্রান্ত/এসআর/জেআইএম
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is আন দ লনক র দ র জ?
আন দ লনক র দ র জ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does আন দ লনক র দ র জ matter?
আন দ লনক র দ র জ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.