Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সড়কে নিরাপত্তা না এলে ঈদের আনন্দ ম্লান

Published May 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

সড়কে নিরাপত্তা না এলে ঈদের আনন্দ ম্লান

Bangladailypost.com – সড়ক ন র পত ত ন এল - বাংলাদেশে ঈদ মানে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার উল্লাস ও বাড়িতে ফেরার ব্যস্ততা। কিন্তু প্রতি বছর ঈদযাত্রার সময় সড়ক দুর্ঘটনা এক ভয়াবহ আতঙ্কের সৃষ্টি করে। সবচেয়ে ঘূর্ণিত হয় ঈদুল আজহার সময় দেশের মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং রেলপথে যাত্রী চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফলে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণ হারা হয় অসহ্য স্তরে পৌঁছে যায়। এই সময় প্রতি ঘটনার পেছনে পরিবার, স্বপ্ন ও ভবিষ্যত ছড়িয়ে পড়ে।

২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৩৭৭টি দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৩৪৬টি ছিল, যাতে ৩৫১ জন নিহত ও বেশি আহত হন। যাত্রী পরিবহনের জন্য মালবাহী ট্রাক পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হেলমেট ব্যবহার না করা, তিন আরোহী বহন করা ও অতিরিক্ত গতি দুর্ঘটনার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ঈদযাত্রার সময় যানবাহনের চাপ অস্বাভাবিক হয়। বিশেষ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও উত্তরবঙ্গমুখী মহাসড়কগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়। অনেক স্থানে অবৈধ পার্কিং, হাটবাজার এবং ধীরগতির যান চলাচল দুর্ঘটনার আরও কারণ হয়। এছাড়া মহাসড়কের বেহাল অবস্থা বিপর্যয়ের দুর্ঘটনার পথ খোঁচায়।

দুর্ঘটনার কারণগুলো

যানবাহন চালকদের বেপরোয়া মনোভাব দুর্ঘটনার বড় কারণ। অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকিং প্রবণতা, মোবাইল ফোন ব্যবহার ও ক্লান্ত অবস্থায় চালানো যানবাহন মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়। ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও লাইসেন্সবিহীন চালকের ওপর কড়া আইন করা আরো আপত্তিজনক। রাজনৈতিক প্রভাব ও পরিবহন সিন্ডিকেটের কারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়।

বিশেষ করে রাতের বেলায় ঘুমঘুম অবস্থায় চালানো যানবাহন মোকাবিলার জন্য কঠোর পদক্ষেপ আরো প্রয়োজন। বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কাজ কঠোর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। অত্যন্ত সংকটজনক সড়ক পরিস্থিতি দুর্ঘটনার বেড়ায় প্রাণ হারিয়ে ফেলে।

সমাধানের উপায়গুলো

ঈদের সুখ নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত হবে এমন পদক্ষেপ অবশ্যই গ্�