সর্বজনীন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা সময়ের দাবি
Bangladailypost.com – সর বজন ন ও ম নসম মত – ঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যা সম্পর্কে আমাদের সামনে আছে একটি গুরুতর সমস্যা। কয়েক বছর ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি হচ্ছে না যদিও শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় মোট প্রাথমিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭১ জন। কিন্তু এদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে মাত্র ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৫ জন। সামনে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রাধান্য পাচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও বিলম্ব
ঢাকার বিশেষ আবহাওয়া ও জনসংখ্যা বিবেচনা করে প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের সময় নেই। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর এলাকায় শতাধিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের মধ্যে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেবল একটি। আরো দুটি মাদরাসা সেখানে কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত।
‘কিন্ডারগার্টেনে পড়ানোর সামর্থ্য নেই, সরকারি বিদ্যালয়ও বেশ দূরে। মাদরাসায় কম খরচে ধর্মীয় শিক্ষা এবং সাধারণ শিক্ষা দুটোই মিলছে। এ কারণেই দুই সন্তানকেই কাছাকাছি মাদরাসায় পড়াচ্ছি।’
মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা, চাঁদ উদ্যানের জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে। শেওড়াপাড়া এলাকায় স্থাপিত মোহাম্মাদিয়া জামে মসজিদ নেসার মাদরাসা একটি বিশেষ সরঞ্জাম প্রদান করে। সায়েদাবাদ, কাজীপাড়া এবং মিরপুর-১১ এলাকাগুলোও সমান সমস্যা অনুভব করছে।
যে সাংবাদিক বলেছেন, রাজধানীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুব সংখ্যাগুরু নয়। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেন বা মাদরাসা। ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ও একটি রয়েছে, যেখানে খরচ অনেক বেশি। মাদরাসায় পড়া সে তুলনায় কিন্ডারগার্টেনে খরচ বেশি হয়।
বিলম্বের পরিণতি
ঢাকায় সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম একটি সমস্যা নয়, সেগুলো প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্পূর্ণ অনুপলব্ধ হয়েছে। তার ফলে অভিভাবকদের অনেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পছন্দ করছেন। এই পরিস্থিতিতে মাদরাসাগুলো কম ব্যয়ে দুটি ধরনের শিক্ষা সম্ভব করেছে।
বিগত কয়েক বছরে কারিকুলামে পরিবর্তন হয়েছে বারবার। সেই পরিবর্তন অভিভাবকদের একাংশকে সাধারণ শিক্ষা থেকে বিমুখ করেছে। কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া কিন্ডার

