Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

প্রি-এক্লাম্পসিয়া দিবস / গর্ভকালীন জটিলতা রোধে সচেতনতাই হতে পারে সমাধান

Published May 22, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

বিশ্ব প্রি-এক্লাম্পসিয়া দিবস

Bangladailypost.com – প র এক ল ম পস য - বিশ্ব প্রি-এক্লাম্পসিয়া দিবস প্রতি বছর ২২ মে পালন করা হয়। এ দিবসে গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা একযোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এ দিবসটি মাতৃমৃত্যু ও নবজাতক মৃত্যু হ্রাস এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।

প্রি-এক্লাম্পসিয়া কি?

গর্ভাবস্থায় বিশ্বব্যাপী প্রকাশ পাওয়া একটি গুরুতর জটিলতা হলো প্রি-এক্লাম্পসিয়া। এটি সাধারণত গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পর সংঘটিত হয় এবং রক্তচাপের বৃদ্ধি ও প্রস্রাবে প্রোটিন আসার মাধ্যমে পরিচিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে সন্তান জন্মের পরও এটি দেখা দিতে পারে।

এ রোগের লক্ষণগুলো হতে পারে মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, হাত-পা ও মুখ ফুলে যাওয়া, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট, পেটে ব্যথা এবং প্রস্রাবের কমতি। কখনো কখনো কোনো লক্ষণ ছাড়াই রোগটি ধীরে ধীরে জটিল হতে পারে। তাই নিয়মিত চেকআপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গোটা বিশ্বের পরিস্থিতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতি বছর লাখ লাখ নারী প্রি-এক্লাম্পসিয়ায় আক্রান্ত হন। গর্ভবতী মাতৃমৃত্যু এবং নবজাতক মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে এটি চিহ্নিত হয়। বিশেষ করে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়।

প্রতি বছর হাজার হাজার মা মারা যান এবং লক্ষাধিক নবজাতক অকাল জন্মগ্রহণ করে। নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং সচেতনতার অভাব অধিক ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

অনেক সমাজে গর্ভকালীন সমস্যাকে স্বাভাবিক মনে করা হয়। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

বাংলাদেশে প্রতিরোধের পদক্ষেপ

বাংলাদেশ সরকার নিরাপদ মাতৃত্ব কর্মসূচি জোরদার করছে এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সেবা বাড়াচ্ছে। মিডওয়াইফ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং উপজেলা পর্যায়ে স্ক্রিনিং বাড়াচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক পরীক্ষা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ গুণগত কারণগুলো

মায়েদের ঝুঁকি বেশি হতে পারে যখন তার প্রথম গর্ভধারণ, রক্তচাপের ইতিহাস, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, স্থূলতা, যমজ সন্তান বা বয়স ৩৫ বছরের বেশি হয়। পারিবারিক ইতিহাসও গুরুতর রোগের সম্ভাবনা বাড়ায়।

প্রি-এক্লাম্পসিয়া প্রকৃতি

মায়েদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি, স্ট্রোক, কিডনি বিকল, লিভার ক্ষতি ও মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে শিশুর ক্ষেত্রে কম ওজন, অকাল জন্ম এবং নবজাতক মৃত্যু ঘটতে পারে। তবে রোগ সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

চিকিৎসা পদ্ধতি