Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা: বদলে যাওয়া অর্থনীতির গল্প

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা: বদলে যাওয়া অর্থনীতির গল্প

Bangladailypost.com – ক রব ন র পশ ত স - বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির বিপ্লবগুলোর মধ্যে কোরবানির পশু উৎপাদন স্বনির্ভরতার একটি প্রধান স্বাক্ষর। একদিন ঈদ আসতে প্রায় সীমান্ত পথে বিদেশি গরু আনা সাধারণ দৃশ্য ছিল। সেই সময় দেশের বাজার বাইরের পশু উপর নির্ভর করত। কিন্তু বর্তমানে তা আর এমন নয়।

২০২৫ সালে কোরবানির ঈদে দেশে প্রায় ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৪টি পশু উৎপাদন হয়েছে। এই সংখ্যার মধ্যে প্রায় ৪৭ লাখ ৫ হাজার গরু ও মহিষ এবং ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ছাগল ও ভেড়া রয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী তুলনামূলক আমদানি ছিল প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার। এই পরিসংখ্যান বাংলাদেশের কোরবানি খাতের নতুন সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে দাঁড়ায়।

এই সফলতার পেছনে দীর্ঘদিনের নীতিগত সমর্থন, খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি এবং মানুষের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার আগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক শিক্ষিত যুবক এখন গবাদিপশু খামার স্থাপন করছেন। নারী উদ্যোক্তারা ঘরে স্থাপিত খামার মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করছেন।

২০২৫ সালে রাজশাহী বিভাগে কোরবানির পশু সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ ২৪ হাজার। ঢাকায় সেই সংখ্যা ২১ লাখ ৮৫ হাজার। বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গবাদিপশু উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। চরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকায় ঘাস চাষ এবং খামার বিস্তার এই পরিবর্তনের পিছনে সহায়তা করেছে।

অর্থনৈতিক প্রতিফলন

প্রতি বছর কোরবানি ব্যবস্থাপনা হাজার হাজার কোটি টাকা উপার্জন করে। এটি নগদ অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি করে যা স্থানীয় বাজার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পশুসম্পদ খাত এখন জাতীয় জিডিপিতে প্রায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ অবদান রেখেছে।

যদিও এই খাতের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা ব্যবহার করা হয়নি, তবু কোরবানি খাত এখন জাতীয় অর্থনীতির একটি শক্তিশালী চালিকাশক্তি। খামারি ছাড়াও পশুখাদ্য ব্যবসায়ী, ওষুধ বিক্রেতা, পরিবহন শ্রমিক ও হাট ইজারাদারদের মধ্যে এই খাতের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পশু উৎপাদনের জন্য খামারিদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

বর্তমানে খামারিদের সবচেয়ে বড় সংকট পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি। ভুট্টা, খৈল, খড় ও ঘাসের মূল্য বাড়ার কারণে উৎপাদন খরচ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষুদ্র খামারিরা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পান না। ফলে তারা উচ্চ সুদে ধার নিয়ে খামার চা�