AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

প্রাণিমণ্ডলে জীবজগতের বেঁচে থাকার লড়াই

Published July 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

প্রাণিমণ্ডলে জীবজগতের বেঁচে থাকার লড়াই

বাস্তুসংস্থানের চিত্রণ

Bangladailypost.com – প র ণ মণ ডল জ বজগত - সাগরের দুর্দম পরিবেশে লাল এবং গোলাপি রঙের প্রবাল প্রাচীর এবং তার চারপাশে ঘুরছে রঙিন মাছগুলো। দুই জাতীয় বস্তুর রং একই ধরনের হওয়ায় শত্রুরা তাদের খুঁজে পায় না। প্রাচীর পরিবেশের নিয়ম অনুসরণ করে বেঁচে থাকে। এই প্রাচীর আর মাছগুলো ইকোসিস্টেমের এক কিংকর্তব্যবিধি উপাদান।

বনে বৃহত্তর গাছগুলো ছাড়া রঙিন ক্যাকটাস বেঁচে থাকতে পারে না। ওরা সর্বদা বৃহত্তর গাছগুলোতে আশ্রয় নেয়। যেহেতু গাছগুলো খাবার উৎপাদন করে এবং জীবন বজায় রাখে। এই উপাদানগুলো সবাই একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে। যেমন একটি খরগোশ ঘাস খেতে এসেছে। সবুজ ঘাসের উপরে বসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে বৃক্ষগুলো।

সমাজব্যবস্থার নিয়ম

পৃথিবীতে সব জীবন্ত সমাজব্যবস্থাকে প্রাণিমণ্ডল বলে। যেহেতু এক এলাকায় এক বিশাল জায়গায় বাস্তুসংস্থান গঠিত হয়। এটাকে জৈব বা অজৈব উপাদানের মাধ্যমে গঠিত করা হয়। যেমন গাছপালা যে খাবার তৈরি করে তারা উৎপাদক। প্রাথমিক খাদক হিসেবে কাজ করে নদীতীরে জন্মা ছোট উদ্ভিদ।

এই প্রাণীদের খাদ্য চাই অন্য প্রাণীদের শরীরে। যেমন খরগোশ ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকে আর ছোট পোকামাকড় তাদের খাদ্য হয়ে যায়। ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া কাটিয়ে মাটিতে মিশে যায় মৃত জীবাশ্ম। রাসায়নিক পুষ্টি উপাদান হিসেবে কাজে লাগে।

খাদ্যজালের স্বরূপ

বাতাসে ডানা ভাসিয়ে বাজপাখি একটি নদীতীরে চলে আসে। সে আত্মবিশ্বাসে বেঁচে থাকে এক জীবজগতের সাথে। যখন নদীতে পানি প্রবাহিত হয়; তখন সে ভেজা থাকে। বাজপাখির দুটি পায়ে ঝুলতে লাগে কিছু কাজ করে। অপর প্রাণীগুলো প্রাণিমণ্ডলের এক অংশ।

বিষয়টি এভাবে চক্রাকারে চলতে থাকে। প্রাণিমণ্ডলের জৈব বা অজৈব উপাদান বদলে গেলে অন্যপাশের সম্পূর্ণ বদলে যায়। যেমন ট্রোপিক্যাল রেইন ফরেস্ট ইকোসিস্টেম হয় কয়েকশ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে। ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম হয় মাত্র কয়েক মাইল এলাকা নিয়ে। বিষয়টি স্বাভাবিক সমাজব্যবস্থার চিত্র।