২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
২৭তম ব স এস র বঞ চ – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে আরও ৭৭ জন বঞ্চিত প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এ নিয়োগ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (৫ জুলাই) প্রজ্ঞাপনে ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রার্থীদের ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যদি তারিখে যোগদান না করে তবে চাকরিতে যোগদান করতে সম্মতি না পাওয়া হলে নিয়োগপত্র বাতিল হবে বলে জানানো হয়েছে।
নিয়োগ সম্পর্কে নির্দেশনা
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্মুখ রাখার জন্য তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষিকভাবে আদেশ কার্যকর হবে। এ সময় কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা পাবে না।
আইনি লড়াইয়ের সময়সূচী
২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি বিএনপি সরকারের আমলে ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। পরে ওই বছরের ৩০ জুন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করে সেনা সমর্থিত সরকার। এরপর হাইকোর্ট রিট করে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ফলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে।
২০০৮ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্ট বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষা ফল বৈধ বলে রায় দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন রিটকারীরা।
২০০৭ সালের ২৯ জুলাই দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ফলে দ্বিতীয় পরীক্ষায় ৩ হাজার ২২৯ জন উত্তীর্ণ হয়। এ নিয়োগের ফলে পরে তিনটি পৃথক রিট আবেদন করে প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা।
২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর ওই তিনটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণকে অবৈধ ঘোষণা করে। তিনটি লিভ টু আপিল আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের নিষ্পত্তি পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের আইনি লড়াইয়ের পথ উন্মুক্ত হয়।
গত বছরের ৭ নভেম্বর আপিল বিভাগ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে। তা শুনানির জন্য গ্রহণের আদেশ দেন আপিল বিভাগ। পরে গত বছরের ১৯ ফেব্রু