টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি, ২ আনসার সদস্য বরখাস্ত
ট ক ন য় এক সপ র – বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুই সদস্যকে টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দিয়ে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে বাহিনী থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য ঘোষণা করা হয়। ঘটনার প্রতি সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েতে নিষিদ্ধ মোটরসাইকেল, আনসার সদস্যদের টাকা নেওয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ পোস্ট বিস্তার করা হয়। এ অভিযোগ বাহিনীর দৃষ্টিতে আসার পর তাদের তদন্ত শুরু করা হয়। দুটি সদস্য মো. হাছিব বিশ্বাস ও মো. আরিফুল ইসলাম চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সি-বিচ এক্সপ্রেসওয়েতে দায়িত্ব পালন করার সময় নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা নিয়ে বাইক চলাচলের অনুমতি দেন। ঘটনার তদন্তে এটি সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হয়।
অভিযোগ প্রমাণে প্রতিক্রিয়া
বাহিনীর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগে নিষ্ঠাপূর্বক টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় নিষিদ্ধ এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলের নিয়ম বিপর্যস্ত করা হয়েছে বলে আশংকা জনিয়েছে। অভিযোগের প্রমাণ পেলে বাহিনীর জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার প্রতি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সংবেদনশীল ছিল। বরখাস্ত নীতি দ্বারা এ ধরনের অপরাধ দূর করার জন্য বাহিনী নিষ্ঠাপূর্বক পদক্ষেপ নেয়।
টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দিয়ে সম্প্রতি দুই সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতি বাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এখন পর্যন্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নীতি বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করে। টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দিয়ে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ বিস্তার করার পর সংশ্লিষ্ট বাহিনী স্বাক্ষর করেছে যে তারা সম্পূর্ণ সততা দিয়ে কাজ করছে।
তদন্ত ও পরিস্থিতির বিশ্লেষণ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর তদন্তে দেখা গেল যে টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় বাহিনীর দায়িত্ব পালন করার ক্ষমতা নষ্ট হয়েছে। নিষিদ্ধ এক্সপ্রেসওয়েতে স্বাধীন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিন্তু পরিশোধ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ধরনের নিয়ম বিপর্যস্ত করার অভিযোগ সম্প্রতি বিস্তার করা হয়েছে