Country

তত্ত্বাবধায়কের আশ্বাসে কাজে ফিরলেন কর্মচারীরা

আউটসোর্সিং কর্মচারীদের আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছে তত ত ব বধ য়ক র আশ - বাগেরহাটে অবস্থিত ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নতুন কর্মীদের আগমন বন্ধ রাখার আশ্বাস দেন

Desk Country
Published July 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
7381a18b-e335-43b2-8362-130d6750e35e-0
Foto : John Jones - bangladailypost.com

আউটসোর্সিং কর্মচারীদের আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছে

Bangladailypost.com – তত ত ব বধ য়ক র আশ – বাগেরহাটে অবস্থিত ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নতুন কর্মীদের আগমন বন্ধ রাখার আশ্বাস দেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, যার ফলে আউটসোর্সিং কর্মচারীরা আন্দোলন বাতিল করে কাজে ফিরেছেন। আন্দোলনকারীদের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেন তিনি বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে। এ আশ্বাসের মাধ্যমে কর্মচারীদের অস্থায়ী কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং আপাতত পুরাতন কর্মীদের চাকরি বহাল করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক র প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রধান সহকারী মোহিতুর রহমানের কক্ষ তালা দেওয়া থাকছে। কর্মীদের আন্দোলন ঘটানোর প্রধান কারণ ছিল আপাতত চাকরি বহাল করার দাবি।

আন্দোলন বাতিল পর কাজে ফেরার প্রক্রিয়া

তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার দাবি করেন যে হাসপাতালের জটিলতার কারণে আপাতত নতুন কর্মীদের আগমন বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু পুরাতন কর্মীদের চাকরি বহাল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে আউটসোর্সিং কর্মচারীরা আন্দোলন থেকে প্রত্যাহার করেছেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসাবে হাসপাতালের স্বাধীন কর্মীদের কাজ আবার শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একটি সার্বিক আলোচনা পর্ব চলছে এবং আপাতত কর্তৃপক্ষ কর্মীদের অপেক্ষাকৃত গুরুতর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

“আপাতত নতুন কর্মীদের আগমন বন্ধ রাখার কারণ হাসপাতালে সরাসরি আপত্তি ও অস্থিরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আন্দোলন কর্মীদের কাজে ফেরার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার প্রতিক্রিয়া প্রাপ্ত হওয়ার জন্য আমরা একটি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি,” বলেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার। তিনি আরও জানান যে এই নির্দেশের ফলে কাজে ফিরেছেন সামান্য কর্মচারীরা, যার ফলে হাসপাতালের সার্বিক সেবা প্রদান চলছে।

আন্দোলনের আগে পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া

গত বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৮টার সময় কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান করছিলেন। এ আন্দোলনের প্রধান কারণ ছিল আপাতত চাকরি বহাল করার দাবি। হাসপাতালে কাজ করছেন কর্মচারীদের মধ্যে বেশ কিছু চাকরি বহাল করার প্রতি অনুরোধ ছিল। তাদের কাছে জানানো হয়েছে যে আপাতত কর্তৃপক্ষ সামান্য কর্মীদের চাকরি বহাল করা হয়েছে, যার ফলে সেবা প্রদান ব

Leave a Comment