সেনেগাল বেলজিয়ামের জালে আরও এক গোল করে সামনে ২-০ ব্যবধানে পৌঁছেছে
ব লজ য় ম র জ ল – রাউন্ড অব ৩২ পর্যায়ে সেনেগাল আফ্রিকার দলগুলি বেলজিয়ামের বিপক্ষে বিজয়ী হয়েছে। ম্যাচের শুরুতে হাবিব দিয়ারার গোলে সেনেগাল নিজেদের প্রথম গোল করে নেয়, যা তাদের স্পষ্ট আধিপত্য দেখায়। দ্বিতীয় গোল আসে ৫১তম মিনিটে ইসমাইলা সারের হাতে, যেখানে সেনেগাল ম্যাচের শেষে পুনরায় দুই গোল ধরে রাখে।
প্রথমার্ধে বারবার চাপ বাড়ায় সেনেগাল
বেলজিয়ামের রক্ষণ সাদিও মানের সমন্বিত আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে থাকে। কেভিন ডি ব্রুইনের নেতৃত্বে বেলজিয়াম প্রথমার্ধে নিজেদের স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া খুঁজে পায়নি। ইসমাইলা সার নিজেদের প্রথম সুযোগ নষ্ট করে প্রায় ফাঁকা জাল করেছিলেন কিন্তু বল পোস্টে লাগে এবং ফিরতি বলও কাছ থেকে বাইরে পাঠায়ে দেন।
৩৭তম মিনিটে সেনেগাল দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করে। কোর্তোয়া সহজে বল আটকে দেন যখন সাদিও মান তার দুর্দান্ত ক্রস খেলে গোলমুখে ঢুকে পড়ে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে বেলজিয়াম একটি কর্নার থেকে হুমকি তৈরি করে কিন্তু সেনেগালের রক্ষণ সহজে সেটি রুখে ফেলে।
অনেকের মতে, সে সময় হলুদ কার্ড দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না।
প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান সেনেগালের শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষ্য দেয়। তাদের ৬৫ শতাংশ বল দখল এবং পাঁচটি শট এবং দুইবার পোস্টে আঘাত নিয়ন্ত্রণ করে। ম্যাচ শুরুর আগে সুপারকম্পিউটার দ্বারা সেনেগালের জয়ের সম্ভাবনা ২৩.৪ শতাংশ ছিল, কিন্তু প্রথমার্ধে সেটি বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪.৩ শতাংশ হয়ে যায়। বেলজিয়ামের আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু সেনেগাল এগিয়ে থাকে।
বাঁ দিক থেকে বল পৌঁছায় সাদিও মান
৯ মিনিটে বেলজিয়ামের প্রথম সুযোগ আসে চার্লস ডি কেটেলারের পাসের মাধ্যমে লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ডের নিচু শট। সেনেগালের গোলরক্ষক দিয়াও তা রুখে দেন। পরবর্তীতে ইদ্রিসা গুইয়ের জোরালো হাফ-ভলি থাকে কোর্তোয়া কিন্তু সেনেগাল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় বার্তা দেয়।
২২তম মিনিটে ইউরি টিলেমান্স হাবিব দিয়ারাকে ফাউল করে প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামাতে চেষ্টা করে। সেনেগা�