Law Courts

শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু: প্রকৌশলী সবিবুর ও তার স্ত্রী রিমান্ডে

aa5eb7c6-3440-4b51-bc07-2d80ec4e1653-0

শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু: আদালত সবিবু রহমান ও ফারাহ নুসরাতকে রিমান্ডে পাঠায়

Bangladailypost.com – শ শ গ হকর ম র ম – শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত চালু করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল শনিবার (২০ জুন) সবিবু রহমান ও তাঁর স্ত্রী ফারাহ নুসরাতকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে আদালত আদেশ জারি করেন। এই বিষয়টি শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির নিহত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়েছে। শুক্রবার ভোরে ধানমন্ডির ৯/এ সড়কে একটি বহুতল ভবনে শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু ঘটে। তদন্ত কর্মকর্তা মো. শাহনেওয়াজ বাপ্পি আসামিদের আদালতে হাজির করেন এবং রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু নিয়ে আইনজীবীদের যুক্তি দেয়া হয়েছে যার ফলে রিমান্ডে আসামিদের বন্ধন ঘোষিত হয়।

অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবিবু রহমানের সাথে জড়িত ঘটনা

ঘটনার পর সেই রাতে পুলিশ শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির বাবা মো. শাহিন কে গ্রেফতার করেন। তিনি স্থানীয় সূত্রে জানিয়েছেন যে তাঁর পুত্র রিক্তা মণি কিছুক্ষণ ধরে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিলেন। পুলিশ তদন্ত অনুযায়ী শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে যে এটি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবিবু রহমান ও তাঁর স্ত্রী ফারাহ নুসরাতের সাথে জড়িত ছিল। আসামি পক্ষ থেকে আইনজীবী রিমান্ডের আবেদন বাতিল করার পাশাপাশি জামিনের প্রস্তাব দায়ের করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের রিমান্ডে রাখার যুক্তি বিবেচনা করে এগিয়েছে।

ময়নাতদন্ত বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তারা বলেন শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃত্যু ঘটনার সত্যিকারো কারণ খুঁজতে এবং অভিযোগের প্রমাণ সংগ্রহ করতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার স্থানে পুলিশ গৃহকর্মী রিক্তা মণির মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং তার নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এই ঘটনায় কে কে দায়ী হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করার দরকার রয়েছে।

নিহতের প্রাথমিক পরিচয় ও পরিবারের সম্পর্ক

নিহত শিশু গৃহকর্মী রিক্তা মণি সুনামগঞ্জের সালনা থানার একটি গ্রামে বাস করতেন। তাঁর পরিবারে চার বোন ও এক ভাই ছিল। তিনি বাড়ি থেকে নিযুক্ত শিশু গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ জানিয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *