Religion

স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ পড়লে ইকামত কে দেবেন?

gemini-generated-image-xhhh3exhhh3exhhh-mqcimhe7osnwonx-20260613213711

স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ পড়লে ইকামত কে দেবেন?

Bangladailypost.com – স ব ম স ত র জ – জামাত বা সামগ্রিক প্রার্থনায় স্বামী ও স্ত্রী দুজনের নামাজ আদায়ে কার কর্তৃত্ব প্রয়োগ করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এখানে বিবেচনা করা হয়েছে যে স্বামী কে ইকামত দিতে হবে কিনা বা স্ত্রী কে দিতে হবে।

পুরুষদের কর্তৃত্ব

যদি স্বামী ও স্ত্রী একত্রে জামাত করে কোনো ফরজ নামাজ আদায় করেন, তখন ইমামতি কর্তৃত্ব স্বামীর উপর পড়বে। ইকামত বা প্রার্থনার আগে ঘোষণা করা স্বামী করবেন।

রদ্দুল মুহতার (১/৫৭২) হতে জানা যায় যে আজান ও ইকামত দেওয়া পুরুষদের কাজ। নারীদের আজান-ইকামত দেওয়া মাকরুহ বিবেচিত।

হাদিস সমূহ

হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, নারীদের ওপর আজান, ইকামত, জুমা এবং (জুমার জন্য) গোসল করা আবশ্যক নয়।

সুনানে বায়হাকি (২/১৬৯) হতে জানা যায় যে নারীদের জামাতে কোনো নারী তাদের সামনে দাঁড়াবে না, বরং সে তাদের মাঝখানে একই কাতারে থাকবে।

স্বামী-স্ত্রী জামাতে নামাজ আদায় করলে স্ত্রী স্বামীর ডান পাশে দাঁড়াবেন। এটি অর্থ হয় যে ইমাম (স্বামী) মুক্তাদির (স্ত্রীর) বাম পাশে থাকবেন।

আবদুল্লাহ বিন উতবা (রহ.) বলেন, আমি এক দুপুরে ওমরের (রা.) কাছে উপস্থিত হলাম। তখন তিনি নফল নামাজ পড়ছিলেন। তিনি আমাকে নামাজের জন্য তার বরাবর ডান পাশে দাঁড় করালেন।

আর একটি হাদিস হতে জানা যায় যে নারীদের জামাতে নামাজ আদায় করলে আজান-ইকামত ছাড়াই প্রার্থনা করা যেতে পারে।

সুনানে বায়হাকি (২/১১৭) হতে জানা যায় যে আমরা (নারীদের জামাতে) ইকামত ছাড়া নামাজ আদায় করতাম।

অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে মসজিদে যাওয়া আবশ্যক হয়। পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। গ্রহণযোগ্য ওজর ছাড়া জামাত ছেড়ে দেওয়া গুনাহের কাজ।

সুনানে ইবনে মাজাহ (৭৯৩) হতে জানা যায় যে যে ব্যক্তি আজান শুনল এবং কোনো অপারগতা না থাকা সত্ত্বেও জামাতে উপস্থিত হলো না, তার নামাজ হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *