প্রবীণদের নিঃসঙ্গ মৃত্যু: আধুনিক সমাজের এক নির্মম বাস্তবতা
প্রবীণদের নিঃসঙ্গ মৃত্যু: আধুনিক সমাজের এক নির্মম বাস্তবতা প রব ণদ র ন সঙ গ - নগর ফ্ল্যাটে দুর্গন্ধ ছড়ানো হচ্ছে কয়েক দিন ধরে। প্রতিবেশীদের অভিযোগ অনুযায়ী
প্রবীণদের নিঃসঙ্গ মৃত্যু: আধুনিক সমাজের এক নির্মম বাস্তবতা
Bangladailypost.com – প রব ণদ র ন সঙ গ – নগর ফ্ল্যাটে দুর্গন্ধ ছড়ানো হচ্ছে কয়েক দিন ধরে। প্রতিবেশীদের অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে যে দৃশ্য দেখল, তা কেবল একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য লজ্জার। ঘরের এক কোণে অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে আছে এক নারীর ওপর। তাঁকে অপরিত্যক্ত ও অনাদরে দেখা যায়। তাঁর মৃত্যু ছিল কয়েক দিনের কথা, কেউ কেউ নিঃসঙ্গ থাকার পরও আজ পর্যন্ত কেউ তাঁকে দেখেনি।
নিঃসঙ্গ মৃত্যুর প্রতিফলন
এই ঘটনা আমাদের সময়ের একটি প্রশ্ন উত্থাপন করে—আমরা কেমন সমাজে বাস করছি? আমাদের সমাজ কতটা মানবিক ও ন্যায়পরায়ণ, তা কেবল অর্থনৈতিক সূচক দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। বরং তার সবচেয়ে দুর্বল মানুষদের কতটা নিরাপত্তা দিতে পারে সেটিই সত্যিকারে সমাজের মানবিকতার মাপকাঠি। আজ পর্যন্ত সময় ফুরিয়ে যায়নি। রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার যদি সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব নেয়, আইনকে কার্যকর করে এবং মানবিক মূল্যবোধকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে, তবে এই অমানবিকতা রোধ করা সম্ভব।
একটি নগর ফ্ল্যাটে কয়েক দিন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে যে দৃশ্য দেখল, তা কেবল একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য লজ্জার।
বাংলাদেশে প্রবীণদের সুরক্ষার জন্য একটি আইন জারি করা হয়েছে যেটি পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিয়ে কথা বলে। আইনটি সন্তানদের ওপর পিতা-মাতার ভরণপোষণ, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও যত্নের দায়িত্ব আরোপ করেছে। কাগজে-কলমে এটি একটি প্রগতিশীল উদ্যোগ। কিন্তু বাস্তব প্রয়োগে এর সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভিযোগ ছাড়া আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয় না। সামাজিক বাস্তবতায় প্রবীণরা নিজের সন্তানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে অনিচ্ছুক। বিচারপ্রক্রিয়ার জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা অনেকের জন্য এই পথকে অকার্যকর করে তোলে। অবহেলাজনিত মৃত্যুর মতো বিষয় প্রমাণ করাও সহজ নয়।
বাংলাদেশ দ্রুত বার্ধক্যমুখী সমাজে পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং জাতিসংঘের জনসংখ্যা-সংক্র