নবীজির (সা.) জন্য খেজুর গাছের কান্না
নবীজির (সা.) জন্য খেজুর গাছের কান্না নব জ র স জন য খ ইসলামের প্রাচীন ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে পরিচিত। মদিনায় হিজরতের পর জুমার বিধান নাজিল
নবীজির (সা.) জন্য খেজুর গাছের কান্না
Bangladailypost.com – নব জ র স জন য খ ইসলামের প্রাচীন ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে পরিচিত। মদিনায় হিজরতের পর জুমার বিধান নাজিল হওয়ার সময় নবীজি (সা.) খুতবা দিতেন খেজুর গাছের একটি কাণ্ডে ভর করে দাঁড়িয়ে। সেই সময় মিম্বর তৈরি হওয়ার আগে খুতবার জন্য ওই কাণ্ডটি ব্যবহার করা হত। যখন কাঠের মিম্বর প্রস্তুত হয় এবং নবীজি (সা.) তার উপর দাঁড়ান, খেজুর কাণ্ডটি দশ মাসের অন্তঃসত্ত্বা উষ্ট্রীর কান্নার মতো শব্দ করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নবীজি (সা.) মিম্বর থেকে নেমে কাণ্ডটিকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করেন। এটি নবীজির (সা.) মুজিজা হিসেবে পরিচিত হয়।
মিম্বর তৈরির ঘটনা
নবীজি (সা.) মিম্বর তৈরির বিষয়ে দুই বর্ণনা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম বর্ণনায় এসেছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) একজন আনসারী নারী সাহাবিকে কাঠমিস্ত্রি গোলামকে অবসর দিতে বলেন। তিনি মিম্বর তৈরি করতে অনুরোধ করেন যাতে নবীজি (সা.) কাঠের ওপর বসে মানুষকে ওয়াজ নসিহত করতে পারেন। মিম্বর তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়ায় সেই কাঠমিস্ত্রী তিন সিঁড়িবিশিষ্ট মিম্বর তৈরি করে মসজিদে রাখা হয়। মিম্বরটি গাবা অঞ্চলের ঝাউগাছের কাঠ থেকে তৈরি হয়।
সহিহ বুখারি: ৯১৮, ২০৯৫
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে যে আনসারী নারী সাহাবি নিজে নবীজি (সা.) কাছে আসে এবং কাঠের কিছু তৈরি করার জন্য অনুরোধ করেন। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, “হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার বসার জন্য কিছু তৈরি করতে পারি। আমার একজন কাঠমিস্ত্রী দাস আছে।” নবীজি (সা.) তার জন্য মিম্বর তৈরি করার অনুমতি দেন। এভাবে ইসলামের প্রথম মিম্বর হিসেবে গৃহীত হয়।
সাহাবির প্রেরণা
খেজুর গাছের কান্নার ঘটনার পর সাহাবিরা মিম্বর প্রস্তুত করার জন্য সুযোগ পেয়েছিলেন। তারা এই ঘটনাটি হিসেব