News

পাবনা মানসিক হাসপাতালের অনুকূল চন্দ্রের দুই ভবনের নিলাম স্থগিত

পাবনা মানসিক হাসপাতালের অনুকূল চন্দ্রের দুই ভবনের নিলাম স্থগিত প বন ম নস ক হ সপ - গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃপক্ষ দ্বারা পাবনা জেলার হেমায়েতপুর এলাকায় মানসিক

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1780412293_6a1eef856ce2a
Foto : John Jones - bangladailypost.com

পাবনা মানসিক হাসপাতালের অনুকূল চন্দ্রের দুই ভবনের নিলাম স্থগিত

Bangladailypost.com – প বন ম নস ক হ সপ – গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃপক্ষ দ্বারা পাবনা জেলার হেমায়েতপুর এলাকায় মানসিক হাসপাতালের কাছে স্থাপিত ঠাকুর শ্রী শ্রী অনূকূল চন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত বিশ্ববিজ্ঞান কেন্দ্র ও মাতৃমন্দিরের নিলাম কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কর্মীরা এই দুটি ভবন নিলাম বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে সাক্ষাৎ করে। এ সময় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিলাম প্রক্রিয়া স্থগিত করেন।

মানসিক হাসপাতালের প্রসার প্রকল্পের অংশ হিসেবে নিলাম শুরু

পাবনা মানসিক হাসপাতালের সম্প্রসারণ ও আধুনিক ইনস্টিটিউট নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে সেই ভবন দুটি নিলামে বিক্রি ও ভেঙে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তবে সৎসঙ্গ বাংলাদেশ এ দাবি জানায় যে স্থানগুলো মানবধর্মের দীক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অনুকূল চন্দ্র পাবনা হিমায়েতপুরে ১৮৮৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৯ সালে পাবনায় সৎসঙ্গ আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল তার মায়ের স্মৃতি বিজড়িত ‘মাতৃমন্দির’ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারে তৈরি ‘বিশ্ববিজ্ঞান কেন্দ্র’।

১৯৪৬ সালে ঠাকুর সপরিবারে ভারতের দেওঘরে চলে যাওয়ার পর এখানে অবস্থিত স্থাপনাগুলো পাবনা মানসিক হাসপাতাল চত্বরে পড়ে যায়। সেই স্থানগুলো বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত ও অনুরাগীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র এবং গভীর আবেগের তীর্থভূমি হিসেবে পরিচিত।

প্রতিবেদন অনুসারে অপসারণ পরিকল্পনা ঘোষণা

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি হেমায়েতপুরে মানসিক হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক ও ভগ্নপ্রায় স্থাপনাগুলো টেন্ডার বা নিলাম আহ্বানের মাধ্যমে অপসারণ বা ভূমিস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা ঠাকুরের অনুসারীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়।

সৎসঙ্গ বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক নিখিল মজুমদার জানান, সারা পৃথিবীতে ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের অন্তত ১০ কোটি ভক্ত আছেন। তারা বিশ্ববিজ্ঞান কেন্দ্রে তীর্থ ভ্রমণে আসেন। সৎসঙ্গ বাংলাদেশের মাধ্যমে সংস্কার করে ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করলে ধর্মানুভূতি সম্মান দেওয়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্সও আয় করতে পারবে।

গণপূর্ত বিভাগ ও মানসিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা সৎসঙ্গ বাংলাদেশের কর্�

Leave a Comment